বগুড়ায় মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর ইসলামী বীমা (তাকাফুল) বিভাগের পক্ষ থেকে ৩০ লাখ ৫১ হাজার ২০০ টাকার একটি একক মৃত্যুদাবি পরিশোধ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার (১৯ এপ্রিল) শহরের হোটেল ক্যাসেল সোয়াদে একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মৃত বীমা গ্রাহক মজনুর রহমানের মনোনীত উত্তরাধিকারী মোছা. আখিয়ারা খাতুনের হাতে সংশ্লিষ্ট মৃত্যুদাবির অর্থপ্রদানের দলিল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারেক। তিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বীমা গ্রাহকদের আস্থা, বিশ্বাস এবং আর্থিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রাহক ও তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি কোম্পানির মৌলিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
এছাড়া তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ সম্পন্ন করেছে। এই পরিশোধের আওতায় ১৮ হাজার ৮২২ জন পলিসি ধারকের পরিবার মৃত্যুদাবির মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। এসব পরিসংখ্যান কোম্পানির ধারাবাহিক দাবি নিষ্পত্তির কার্যক্রমকে নির্দেশ করে।
বগুড়া অঞ্চলের জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপস্থিত সকলে পুরো প্রক্রিয়াটিকে সময়োপযোগী এবং গ্রাহকসেবামুখী কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানটি একটি আনুষ্ঠানিক পরিবেশে সম্পন্ন হয়, যেখানে মৃত্যুদাবি নিষ্পত্তির দলিল হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী। উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের কার্যক্রম বীমা গ্রাহকদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
নিচে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পরিশোধিত মৃত্যুদাবির পরিমাণ | ৩০ লাখ ৫১ হাজার ২০০ টাকা |
| মৃত গ্রাহকের নাম | মজনুর রহমান |
| মনোনীত উত্তরাধিকারী | মোছা. আখিয়ারা খাতুন |
| অনুষ্ঠান স্থান | হোটেল ক্যাসেল সোয়াদ, বগুড়া |
| অনুষ্ঠান তারিখ | ১৯ এপ্রিল (রোববার) |
| মোট বীমা দাবি পরিশোধ | ৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা |
| মোট উপকারভোগী পরিবার | ১৮ হাজার ৮২২ জন |
এই আয়োজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবার নির্ধারিত বীমা সুবিধা গ্রহণ করে, যা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা দাবি নিষ্পত্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান।
