ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য রয়েছে বিশেষভাবে দীর্ঘ বিশ্রামের সুযোগ। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে সরকার ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) একদিনের নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে।
সরকারি ছুটির সঙ্গে সপ্তাহান্তের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে কর্মকর্তারা মাত্র একদিনের ছুটি নিয়ে টানা চার দিনের বিশ্রাম নিতে পারবেন। শবেবরাত উপলক্ষে এই চার দিনের ছুটি সংযোগটি নিম্নরূপ:
| তারিখ | দিন | ছুটির ধরন | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| ৪ ফেব্রুয়ারি | বুধবার | নির্বাহী আদেশে ছুটি | শবেবরাত উপলক্ষে |
| ৫ ফেব্রুয়ারি | বৃহস্পতিবার | সাধারণ কার্যদিবস | – |
| ৬ ফেব্রুয়ারি | শুক্রবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শুক্রবার |
| ৭ ফেব্রুয়ারি | শনিবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শনিবার |
এছাড়া, ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে আরও চার দিনের বিশেষ ছুটি থাকবে। সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় নির্বাচন সংক্রান্ত ছুটি মিলিয়ে কর্মকর্তারা দীর্ঘ চারদিনের বিশ্রাম উপভোগ করতে পারবেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানান, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ছুটি থাকবে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কার্যদিবস হিসেবে আগেই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।”
নির্বাচন সংক্রান্ত এই ছুটির সংযোগের বিস্তারিত তালিকা:
| তারিখ | দিন | ছুটির ধরন | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| ১১ ফেব্রুয়ারি | মঙ্গলবার | সাধারণ ছুটি | নির্বাচনের প্রস্তুতি |
| ১২ ফেব্রুয়ারি | বুধবার | সাধারণ ছুটি | নির্বাচন দিবস |
| ১৩ ফেব্রুয়ারি | বৃহস্পতিবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শুক্রবার |
| ১৪ ফেব্রুয়ারি | শুক্রবার | সাপ্তাহিক ছুটি | শনিবার |
প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এই বছরে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্র ও শনিবারে পড়েছে। এছাড়া, ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য ৮ দিন, বৌদ্ধদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন বিশেষ ছুটি রাখা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসের এই পরিকল্পনার ফলে সরকারি কর্মচারীরা কার্যদিবসের সঙ্গে যুক্ত ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নিতে পারবে, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবে এবং সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
