ইসরায়েলের হামলায় জিম্মিদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় পরিবারগুলো


গাজায় ইসরায়েলি সেনা তামির নিমরোদি এখনো জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। তার মা হেরুত নিমরোদি ছেলের নিরাপদে ফেরার আকুতি জানিয়ে বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ভারী হামলা তার ছেলেকে আরও বিপদে ফেলতে পারে।

হেরুত বলেন, “আমাদের সন্তানরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।” মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার সময় তামিরকে গাজায় জিম্মি করা হয়। সে ছিল ইসরায়েলি সামরিক সংস্থা COGAT-এর একজন সৈনিক।

তিনি আরও বলেন, “আমরা তেমন কিছু জানি না, তবে নিশ্চিত জানি, গাজার ওপর সামরিক চাপ জিম্মিদের জন্য হুমকি তৈরি করেছে।”

হামাসের হাতে আটক ২৫১ জন ইসরায়েলির মধ্যে এখনও অন্তত ৫৮ জন গাজায় বন্দি রয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তাদের মধ্যে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময় হামাস ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়, যাদের মধ্যে আটজনের মরদেহ ছিল। এর বিনিময়ে ইসরায়েল প্রায় ১,৮০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়।

কিন্তু যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মতবিরোধের পর ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল আবারও গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।

তামিরকে অপহরণের ২০ মিনিট আগে তিনি তার মাকে একটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। পরে তার সঙ্গে থাকা আরও দুই সৈন্য গাজার ভেতরে নিহত হন। এখনও তামিরের বেঁচে থাকার কোনও নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে তিনি ২৪ জন জীবিত বলে ধারণা করা জিম্মির একজন।

তামিরের মা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলছেন, হামাসের ওপর সামরিক চাপই মুক্তির উপায়। কিন্তু দেড় বছরেও তা ফল দেয়নি। বরং আলোচনার মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক চাপেই কিছু ফল এসেছে।”