শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসির স্বীকৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএএন। সংস্থাটির মতে, এই অনুমোদন নেপালের ঘরোয়া ক্রিকেটের বিকাশ ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসরে এনপিএলের পরিচিতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিযোগিতাটিকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের পথও সুগম হতে পারে।
আইসিসির স্বীকৃতি পাওয়ায় এনপিএলের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগগুলো জনপ্রিয়তা অর্জন করায় বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতার মান এবং বাণিজ্যিক আকর্ষণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। এনপিএলও সেই ধারায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়। তবে আইসিসির অনুমোদনের ফলে কতজন নতুন বিদেশি ক্রিকেটার এই টুর্নামেন্টে খেলবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে সিএএন এনপিএলকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের জন্য আইসিসির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। নেপালের ক্রিকেট কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশটির ক্রিকেটের পরিচিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এই স্বীকৃতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।
এদিকে, এনপিএলের তৃতীয় আসরে বাড়তি আকর্ষণ হয়ে থাকছেন বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিনি পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের হয়ে খেলবেন। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে গত দুই বছর তাঁর উপস্থিতি অনিয়মিত থাকলেও বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নিচ্ছেন তিনি। ফলে নেপালের এই প্রতিযোগিতায় তাঁর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদেরও আগ্রহ বাড়াতে পারে।
আগামী ২৬ অক্টোবর শুরু হবে আট দলের এনপিএল। ২১ নভেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের আসর। টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলো শিরোপার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তবে এবারের আসরের পূর্ণাঙ্গ সূচি, খেলোয়াড়দের তালিকা কিংবা অন্য বিদেশি তারকাদের অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য মূল ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি।
২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত এনপিএলের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জনকপুর বোল্টস। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের দ্বিতীয় আসরে শিরোপা জেতে লুম্বিনি লায়নস। দুই আসরের পর এবার তৃতীয় সংস্করণে নতুন চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের লড়াইয়ে নামবে আটটি দল।
নেপালের ক্রিকেটের জন্য এনপিএল এখন ঘরোয়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিচিতি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। আইসিসির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি টুর্নামেন্টটির অবস্থান আরও দৃঢ় করতে সহায়তা করতে পারে। তবে এই স্বীকৃতির দীর্ঘমেয়াদি সুফল নির্ভর করবে প্রতিযোগিতার মান, সংগঠন, খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যতে লিগটি কতটা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তার ওপর।









