আটক ব্যক্তিরা হলেন ফেরদৌস ও মো. কাউছার। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে টেকনাফ থানার কেরুনতলী সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে শনিবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন অভিযানের বিষয়টি জানান।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১১টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি দল ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। এ সময় সন্দেহজনক তিনটি ইজিবাইক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত তিনটি ইজিবাইক ও দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফেরদৌস ও কাউছারকে আটক করা হয়।
অভিযান চলাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি ইজিবাইকের চালক পালিয়ে যান। তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ওই চালকের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার করা ইয়াবা, জব্দ করা ইজিবাইক ও মুঠোফোনসহ আটক দুই ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
টেকনাফ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মাদক পাচার প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন হওয়ায় এ অঞ্চলে মাদক প্রবেশ ও পরিবহনের চেষ্টা ঠেকাতে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ করা এ ধরনের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য।
তবে এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা কীভাবে ইয়াবার চালানটি সংগ্রহ করেছিলেন, এর গন্তব্য কোথায় ছিল কিংবা এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। পলাতক ইজিবাইকচালককে শনাক্ত করা এবং মাদক পাচারের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী অভিযোগে মামলা করা হবে এবং তদন্তে আর কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় কি না, তা পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হবে। আপাতত জব্দ করা মাদক ও অন্যান্য সামগ্রীসহ তাঁদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।








