মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ২৩টি দেশকে ‘প্রধান মাদক পাচারকারী রাষ্ট্র’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন।
১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক ‘প্রেসিডেন্সিয়াল ডিটারমিনেশন’-এ এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় রয়েছে নিম্নোক্ত রাষ্ট্রসমূহ:
| ক্র. | দেশ | ক্র. | দেশ |
| ১ | আফগানিস্তান | ১৩ | হাইতি |
| ২ | বাহামা | ১৪ | হন্ডুরাস |
| ৩ | বেলিজ | ১৫ | ভারত |
| ৪ | বলিভিয়া | ১৬ | জ্যামাইকা |
| ৫ | বার্মা (মিয়ানমার) | ১৭ | লাওস |
| ৬ | চীন | ১৮ | মেক্সিকো |
| ৭ | কলোম্বিয়া | ১৯ | নিকারাগুয়া |
| ৮ | কোস্টা রিকা | ২০ | পাকিস্তান |
| ৯ | ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র | ২১ | পানামা |
| ১০ | ইকুয়েডর | ২২ | পেরু |
| ১১ | এল সালভাদর | ২৩ | ভেনেজুয়েলা |
| ১২ | গুয়াতেমালা |
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভৌগোলিক অবস্থান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং অর্থনৈতিক উপাদানের কারণে এসব দেশ মাদক ও কাঁচামাল উৎপাদন কিংবা পাচারের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তবে তালিকাভুক্ত হওয়া মানেই যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করছে না বা মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালাচ্ছে না—তা নয়।
ট্রাম্প প্রশাসন বিশেষভাবে আফগানিস্তান, বলিভিয়া, মিয়ানমার, কলোম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলা-কে মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘অসফল’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, গত এক বছরে এই দেশগুলো আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী চুক্তি মানতে ব্যর্থ হয়েছে এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
চীনকে তিনি বর্ণনা করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রিকার্সার কেমিক্যাল সরবরাহকারী হিসেবে, যা অবৈধ ফেন্টানাইল উৎপাদনকে বাড়িয়ে তুলছে। পাশাপাশি দেশটি নিতাজিনস, মেথঅ্যামফেটামিনসহ নানা ধরনের সিনথেটিক মাদক উৎপাদনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।
ট্রাম্প বলেন, তালেবান অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও বাস্তবে সেখানে মাদক উৎপাদন ও মজুত অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মেথঅ্যামফেটামিন উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে আরও উসকে দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, অবৈধ ফেন্টানাইলসহ মারণ মাদক যুক্তরাষ্ট্রে এক ধরনের জাতীয় জরুরি অবস্থা তৈরি করেছে। বর্তমানে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী আমেরিকানদের মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব মাদক।
