পর্যটনে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ সৌদি আরব।পর্যটকদের আগমনের দিক বিবেচনা করে ২০২৩ সালের প্রথম সাতমাসে বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে সৌদি আরব। ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় এ বছরের জুলাই মাসের শেষে দেশটিতে ট্যুরিজম বেড়েছে ৫৮ শতাংশ। তথ্যটি গত মাসে জানায় ইউএন ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশন (ইউএনডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজমব্যারোমিটার।
পর্যটনে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ সৌদি আরব
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গত ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। দেশটি পর্যটন খাত উন্নয়নের জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে সৌদি আরবে। এই অর্জন বিশ্বব্যাপী পর্যটনশিল্পের বিকাশে সৌদি আরবের মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে উল্লেখ করেন সৌদি পর্যটনমন্ত্রী আহমেদ আল-খতিব।

লোহিত সাগর তীরবর্তী জেদ্দা শহরটিতে কার্যত সকল দেশের মানুষ বসবাস করে। ফলে সাংস্কৃতিক দিক থেকে এইশহরটি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ। লোহিত সাগরের তীরের এই বন্দরনগরী ১৯৮২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের রাজধানী ছিল।এছাড়া সৌদির দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে সবুজ জুনিপার বৃক্ষে ঢাকা আসির পর্বতমালার সৌন্দর্য খুবই বৈচিত্রপূর্ণ। পাঁচলাখের মত হামদ্রিয়াজ বেবুনের বসবাস এই পাহাড়ি জঙ্গলে। সেই সাথে রয়েছে হর্নবিল, ঈগল আর নীলচেআগামিড গিরগিটি।
সেখানে পাহাড়ের ওপরে ওঠার জন্য কেবল কারের ব্যবস্থা হয়েছে। পাহাড়ের খাদে খাদে রয়েছে অপূর্ব সুন্দর সবগ্রাম। সেখানে থেকে আসির পাহাড়ের ঢালের সৌন্দর্য চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো।

সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ বিদেশি পর্যটকদের জন্য দেশটিকে উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে পর্যটক ও পর্যটনব্যবসায় বেশ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। সৌদি আরবের বৈচিত্র্যময় নিসর্গের সৌন্দর্য বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। দেশটির আসির পর্বতমালা, জেদ্দার ঐতিহ্যবাহী ভবন, মরুভূমি, মাদাইন সালেহর ইসলাম-পূর্ব সভ্যতার নিদর্শন, নয়নাভিরাম মরূদ্যান ইত্যাদি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে।