ডিম ও পেঁয়াজের দাম আরো বেড়েছে, টমেটোর কেজি ৩০০ । লাল ডিমের হালি গত সপ্তাহে ছিলো ৪৬-৪৮ টাকা। স্থানভেদে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি ডজন মুরগির ডিমের দাম খুচরায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১৭০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা হালি, ডজন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। সোনালি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। একশ দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকায়।
ডিম ও পেঁয়াজের দাম আরো বেড়েছে, টমেটোর কেজি ৩০০
কোনো কারণ ছাড়াই কারসাজির মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ডিমের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। তারা বলছেন, বাজার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেটের হাতে। যার কারণে একেক সময়ে একেক পণ্যের দাম রাতারাতি বেড়ে যায়। উৎপাদন খরচের চেয়ে অধিক মুনাফায় ডিম বিক্রি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকারের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।

পেঁয়াজের দাম তিন-চার দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। স্থানীয় হাটে পেঁয়াজের সরবরাহ কম এবং ভারত থেকে দু’দিন ধরে আমদানি কম হওয়াকে কারণ হিসেবে জানিয়েছে পাইকারি ব্যবসায়ীরা। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৭৫ এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। পরের দিন শুক্রবার কিছুটা কমে দেশি পেঁয়াজ ৭০ এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। শনিবার থেকে আবার বাড়তে শুরু করেছে দাম। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০টাকা দরে।
বাজারে তুলনামূলক ভালো মানের টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। কিছুটা নিম্নমানের ও ছোট আকৃতির টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, ২/৩ দিন আগেও টমেটো ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে, সেখান থেকে দাম কমে এখন ৩০০ টাকা বা কিছু কমে বিক্রি হচ্ছে। দাম অতিরিক্ত বেশি হওয়ার কারণে অনেক দোকানদার এ সবজি তুলছে না।

পাশের দেশ ভারতে টমেটোর দাম বেড়েছে ৪০০ শতাংশ। গত জুলাই মাসে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর বাজারগুলোতে এক কেজি টমেটো বিক্রি হয়েছে ১৩৮ রূপি করে। কিন্তু ভারতের ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সংস্থার ডেটা অনুযায়ী, এবছরের জানুয়ারিতেই টমেটোর দাম ছিলো প্রতি কেজি মাত্র ২৭ রূপি। কৃষক এবং কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের পর পর্যাপ্ত টমেটো উৎপাদন না হওয়ায় বাজারে এটির দাম বেড়েছে।