৪ মাসে ৫ সিটি নির্বাচন শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরমধ্যে জুনে দুইটি শেষ করবে আর বাকি তিনটি সিটি করপোরেশনের ভোট সেপ্টেম্বরে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
এসব সিটি করপোরেশনের মধ্যে রয়েছে- গাজীপুর, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহী।
ইসি মো. আলমগীর বলেন, এ বছরের ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন আছে, সেজন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে এ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষের দিকে না করে প্রথম দিকে করা। আগামী জুনে দুইটি সিটি করপোরেশনে এবং বাকি তিনটি সিটি করপোরেশনে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোট শেষ করব। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি আমাদের।

৪ মাসে ৫ সিটি নির্বাচন করবে ইসি
যেটা আলোচনা হয়েছিল গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটের। এইগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে করতে হয়। জাতীয় নির্বাচনের জন্য অনেক বিষয়ে প্রস্তুতির ব্যাপার আছে। এজন্য আমরা সেটাই করব।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনেক দেরি। ওইটা ছাড়া বাকি পাঁচটার ক্ষেত্রে হয়তো দুদিন অথবা তিন দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
এসব নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করার আগ্রহ আছে জানিয়ে মো. আলমগীর বলেন, নতুন ইভিএম আসেনি। ইভিএমগুলোর ব্যাটারির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্টসহ সার্ভিসিং করাতে হবে। সেজন্য টাকা লাগবে। সার্ভিসিং করিয়ে যদি সচল করতে পারি তাহলে তার ওপর নির্ভর করবে কতগুলো ইভিএম ব্যবহার করব। তবে আমাদের ইচ্ছা আছে।

সিটি করপোরেশন আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্তদের মেয়াদ ধরা হয় প্রথম সভা থেকে পরবর্তী ৫ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হয়।

এ হিসেবে গাজীপুর সিটির পরবর্তী ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হবে চলতি মাসের ১১ মার্চ থেকে। খুলনা ও রাজশাহী সিটির ক্ষণগণনা শুরু হবে আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে। বরিশাল সিটি ভোটের ক্ষণগণনা শুরু হবে ১৪ মে থেকে এবং সিলেট সিটি ৬ মে থেকে পরবর্তী নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হবে।
আরও দেখুনঃ