রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (জন্ম: ২৭ অক্টোবর ১৯৬৯) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসন হতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশের সাবেক স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের পুত্র।
Table of Contents
রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রারম্ভিক জীবন
তৌফিকের পিতা আব্দুল হামিদ হলেন বাংলাদেশের সাবেক স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি এবং মাতা রশিদা হামিদ মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী। তার এক ছোট ভাই রাসেল আহমেদ তুহিন এবং অপর ছোট ভাই ব্যারিস্টার রিয়াদ আহমেদ তুষার।
কর্মজীবন
২০১৩ সালে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ -সদস্য আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে এই আসনে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৌফিক বিজয়ী হন। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে তিনি তৎকালীন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে সংসদ -সদস্য হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেন। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২৫৮,২২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন।
সংসদ -সদস্য
সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ- সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত – হন।
আরও দেখুনঃ