জিএম সিরাজ | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জিএম সিরাজ একজন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ। সিরাজ বগুড়া-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়নে নির্বাচিত হয়ে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদের সদস্য ছিলেন। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন থেকে পুনরায় বিএনপির মনোনয়নে জয় লাভ করেন।

জিএম সিরাজ | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জিএম সিরাজ | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

সিরাজ বগুড়া বিএনপির জেলা শাখার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ এবং একই বছর ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৩] তবে তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে নির্বাচন করে পরাজিত হন।

২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে, নির্ধারিত সময়ে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় বগুড়া-৬ আসনটি শুন্য ঘোষণা করা হয়।[২] পরবর্তীতে ২৪ জুন ২০১৯ সালে এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সিরাজ জয়লাভ করেন। তিনি এসআর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৭ সালে ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান তার শাসনকে বেসামরিক করার উদ্দেশ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি শুরু করেন। জিয়া যখন সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচন করবেন তখন তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

ইতিহাস

প্রতিষ্ঠা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এগিয়ে আসলে জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন। জাগদলকে বিএনপির সাথে একীভূত করা হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়া এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন এবং এই দলের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন। জিয়ার এই দলে বাম, ডান, মধ্যপন্থি সকল প্রকার লোক ছিলেন। বিএনপির সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল এর নিয়োগ পদ্ধতি। প্রায় ৪৫ শতাংশ সদস্য শুধুমাত্র রাজনীতিতে যে নতুন ছিলেন তাই নয়, তারা ছিলেন তরুণ।

 

জিএম সিরাজ | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রমনা রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যাত্রা শুরু করেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও প্রায় দুই ঘণ্টা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

এখানে উল্লেখ্য, বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে নতুন দল গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই দলটি বিলুপ্ত ঘোষণার মাধ্যমে দলের এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সকল সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত নতুন দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment