সোমবার (১২ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
ডিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কোন ধরনের অপরাধে কতজন জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ।
বিভাগভিত্তিক গ্রেপ্তারের হিসাবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগ থেকে। এ বিভাগে ১১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন তেজগাঁও বিভাগে।
এ ছাড়া লালবাগ বিভাগে ৫৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৭ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৬ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে রমনা বিভাগ থেকে ৩২ জন এবং গুলশান বিভাগ থেকে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর বাইরে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সব মিলিয়ে আটটি বিভাগ ও ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬৪ জনে।
অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার ৮৭২টি ইয়াবা, পাঁচ কেজি গাঁজা ও তিন গ্রাম হেরোইন। ইয়াবার পাশাপাশি গাঁজা ও হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের তৎপরতার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে এসব মাদক কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধারের সঙ্গে কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।
মাদকদ্রব্য ছাড়াও অভিযানে দুটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩ হাজার ৫২০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এসব আলামত কোন মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, সে বিষয়ে ডিএমপির পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্যের অবৈধ কেনাবেচা প্রতিরোধ এবং অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি। এ ধরনের অভিযানে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত সংগ্রহ করা হয়, যা পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রমে কাজে লাগতে পারে।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ কিংবা মামলাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে প্রমাণিত হওয়া নয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অপরাধের বিষয়টি নির্ধারিত হবে।









