সোমালিল্যান্ডের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ‘সিরো’র সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফরকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের কূটনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ ও আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত সোমালিল্যান্ডের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাগত জানাল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বিপক্ষীয় পদক্ষেপের পেছনে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনই একমাত্র লক্ষ্য নয়, বরং লোহিত সাগর ও কৌশলগত বাব আল-মান্দাব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলও নিহিত রয়েছে।
গত রবিবার জেরুজালেমে পৌঁছান সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ। এটি ছিল ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার পর কোনো সোমালিল্যান্ড নেতার প্রথম আনুষ্ঠানিক ইসরায়েল সফর। তেল আবিবের এই পদক্ষেপের ফলে দীর্ঘদিনের এই আঞ্চলিক বিরোধ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন মাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ বলেন, “আমি সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে এসেছি। ৩৫ বছর ধরে আমরা বিশ্বকে আমাদের স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছি। ইসরায়েল এবং আপনি নিজে প্রথম আমাদের দেখেছেন ও স্বীকৃতি দিয়েছেন।” প্রত্যুত্তরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এই স্বীকৃতি প্রদানকে ইহুদি ইতিহাসের জাতিগত সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করে উল্লেখ করেন, “আমরাও একসময় একটি ছোট জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্বের কাছে নিজেদের অধিকার ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চেয়েছিলাম। তাই আপনাদের এই দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রতি আমাদের স্বাভাবিক ও ঐতিহাসিক সহানুভূতি রয়েছে।”
কূটনৈতিক সম্পর্ক থেকে কৌশলগত অংশীদারত্ব
সফরের সময় দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতিতে একটি উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মূলত নিরাপত্তা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, আধুনিক কৃষি, স্বাস্থ্য খাত এবং আঞ্চলিক সামগ্রিক কৌশলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিস্তৃত থাকবে।
ভৌগোলিক দিক থেকে আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে অবস্থিত সোমালিল্যান্ডের অবস্থান অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কৌশলগত। দেশটি লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার এবং এডেন উপসাগরের তীরে ইয়েমেনের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত, যা বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম নৌপথের সংযোগস্থল। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বৈঠকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, সোমালিল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান বাব আল-মান্দাব প্রণালীর অত্যন্ত সন্নিকটে, যা লোহিত সাগরকে সরাসরি ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্যের জন্য এই জলপথটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। গত দুই বছর ধরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা এবং লোহিত সাগরে ইসরায়েলমুখী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ক্রমাগত বাধা ও হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তেল আবিবের জন্য কৌশলগত অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিরাপত্তা সহযোগিতা ও সামরিক স্থাপনার বিতর্ক
সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে ইসরায়েলের এই নতুন সম্পর্কের সবচেয়ে আলোচিত ও সংবেদনশীল দিক হচ্ছে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। এর আগে গত জানুয়ারিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার সোমালিল্যান্ড সফর করার সময় ব্যক্ত করেছিলেন যে, দুই দেশ একটি সুনির্দিষ্ট ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ এবং প্রত্যক্ষ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজও নিশ্চিত করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ‘গোপনে বিভিন্ন কার্যক্রমে’ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বজায় ছিল এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ককে আরও আনুষ্ঠানিক ও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
তবে এই নিরাপত্তা অংশীদারত্ব নিয়ে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইসরায়েল মূলত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বিমান বা নৌ অভিযান পরিচালনার সুবিধার্থে সোমালিল্যান্ডের ভূখণ্ডে সামরিক স্থাপনা ও রাডার স্টেশন তৈরি করতে বিশেষভাবে আগ্রহী। যদিও সোমালিল্যান্ডের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে সম্পূর্ণ সুনির্দিষ্ট কোনো অবস্থান বা চুক্তির কথা প্রকাশ করেননি।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদুররহমান আবদুল্লাহ বলেন, বর্তমানে ইসরায়েলের কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সরাসরি পরিকল্পনা বা চুক্তি নেই। তবে ভবিষ্যতে লোহিত সাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় এমন কোনো সামরিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি তা পুরোপুরি উড়িয়ে দিতে পারছি না।”
এই সামরিক জল্পনা-কল্পনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সোমালিল্যান্ডের বৃহত্তম এবং প্রধান উপকূলীয় শহর বারবেরা। এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত বারবেরা শহরের ঐতিহাসিক বিমানবন্দরটি একসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন নির্মাণ করেছিল এবং পরবর্তীতে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ (NASA) তাদের জরুরি ল্যান্ডিং সাইট হিসেবে ব্যবহার করেছিল। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এই বিমানবন্দর ও বন্দর সংলগ্ন অবকাঠামোকে আধুনিক সামরিক ও কৌশলগত ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে।
সোমালিয়া ও আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র প্রতিক্রিয়া
সোমালিয়া সরকার ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ডের এই গভীর কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সোমালিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী ওমর এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তাদের সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হলো—সোমালিল্যান্ডের এই পদক্ষেপের ফলে এই অঞ্চলটি ইসরায়েলের প্রক্সি বা আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই ধরনের আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ এমন একটি অঞ্চলে নতুন সশস্ত্র সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা নিয়ে আসতে পারে, যা ইতোমধ্যেই নানাবিধ অভ্যন্তরীণ সংকট ও জলবায়ুগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।” সোমালিয়ার পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, তারা অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না, তবে সোমালিল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসনে সংলাপের জন্য সর্বদা প্রস্তুত।
সফরের অন্যতম বিতর্কিত অংশ ছিল জেরুজালেমে সোমালিল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক দূতাবাস বা কূটনৈতিক মিশন চালু করা। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারের উপস্থিতিতে এই মিশন উদ্বোধন করা হয়। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা এবং জেরুজালেমের অমীমাংসিত মর্যাদার কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ তাদের দূতাবাস তেল আবিবে রাখলেও সোমালিল্যান্ড জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে মিশন স্থাপন করেছে। এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ, আরব লীগ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থাসহ (ওআইসি) বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশগুলো।
দক্ষিণ আফ্রিকাভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজ’-এর জ্যেষ্ঠ গবেষক মোসেস ক্রিসপাস ওকেলো এই বিষয়ে ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষণ দিয়ে বলেন, “ইসরায়েলের আসল ভূ-কৌশলগত লক্ষ্য শুধু সোমালিল্যান্ডের স্বীকৃতি নয়, বরং লোহিত সাগরের ওপর সামরিক ও নজরদারির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।” তাঁর মতে, ইসরায়েল বর্তমানে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিকভাবে নানাবিধ কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়েছে। ফলে সোমালিল্যান্ডের মতো একটি দীর্ঘ সমুদ্র উপকূল ও কৌশলগত অবস্থানসম্পন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা তেল আবিবের জন্য একটি বড় সামরিক সুযোগ।
সোমালিল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলের সঙ্গে এই চুক্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত সোমালিল্যান্ডের ভেতরেও তীব্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সোমালিল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুসে বিহি আবদি বর্তমান সরকারকে ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাক্ষরিত গোপন প্রতিরক্ষা চুক্তির সমস্ত বিবরণ জাতীয় সংসদে প্রকাশ করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তির ফলে সোমালিল্যান্ড কোনো আঞ্চলিক পরাশক্তির সামরিক ক্রীড়নকে পরিণত হতে পারে। সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠিত সংবিধান এমন কোনো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ বা চুক্তি অনুমোদন করে না, যা সামগ্রিক মুসলিম জনগণের কৌশলগত ক্ষতি করে কিংবা আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।” দেশটির শীর্ষস্থানীয় ইসলামি আলেম ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যেও এই চুক্তি নিয়ে স্পষ্ট মতভেদ তৈরি হয়েছে।
সোমালিল্যান্ড প্রশাসন আশা করেছিল যে, ইসরায়েলের এই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য দেশও তাদের স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেবে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশ এই বিষয়ে নীতিগত পরিবর্তন আনেনি। অন্যদিকে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিসর, আফ্রিকান ইউনিয়ন (এইউ) এবং আরব লীগ যৌথ ও পৃথক বিবৃতিতে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সবচেয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সোমালিল্যান্ডের উপকূলে বা বারবেরা বন্দরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর যেকোনো ধরনের উপস্থিতি বা নজরদারি কাঠামো গড়ে উঠলে সেটিকে তারা বৈধ ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং আক্রমণ চালাবে।
লন্ডনভিত্তিক থিংক ট্যাংক ‘চ্যাথাম হাউস’-এর মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষক ও বিশ্লেষক ইয়োসি মেকেলবার্গ এই সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বলেন, “এই কূটনৈতিক সম্পর্ক সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকেই কিছু কৌশলগত সুবিধা দেবে, তবে এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদি মূল রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করবে না। ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিন ইস্যু ও আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতা এড়িয়ে আফ্রিকার নতুন প্রান্তে সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা করছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে একাকীত্বে থাকা সোমালিল্যান্ডও এই সম্পর্ক থেকে তাদের ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যাশা করছে।”
লোহিত সাগর ও আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলে ইসরায়েল-সোমালিল্যান্ড সম্পর্কের রূপরেখা
| কৌশলগত সূচক / ক্ষেত্র | মেকানিজম ও চুক্তির বিবরণ | কৌশলগত গুরুত্ব ও প্রভাব | আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া ও অবস্থান |
| কূটনৈতিক স্বীকৃতি | জেরুজালেমে সোমালিল্যান্ডের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক মিশন স্থাপন। | প্রথম রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সোমালিল্যান্ডের কোনো নেতাকে ইসরায়েলের অভ্যর্থনা। | ফিলিস্তিন, ওআইসি ও আরব লীগ কর্তৃক তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন। |
| ভৌগোলিক অবস্থান | এডেন উপসাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীর নিকটবর্তী উপকূল। | বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক নৌপথের প্রধান সংযোগস্থল। | লোহিত সাগরে ইসরায়েলমুখী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা বৃদ্ধি। |
| নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা | দীর্ঘদিনের গোপন তথ্য আদান-প্রদানকে কৌশলগত সহযোগিতায় রূপান্তর। | বারবেরা বন্দর ও বিমানবন্দরের সামরিক ব্যবহারের সম্ভাবনা। | সোমালিয়ার পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ ও উদ্বেগ। |
| সামরিক ঘাঁটি জল্পনা | বর্তমান প্রেসিডেন্ট কর্তৃক সামরিক ঘাঁটির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ না করা। | ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারির সুবিধা। | হুথিদের পক্ষ থেকে সোমালিল্যান্ডকে ‘সামরিক লক্ষ্যবস্তু’ করার হুশিয়ারি। |
| অর্থনৈতিক সহযোগিতা | বাণিজ্য, উন্নত কৃষি এবং স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন চুক্তি। | সোমালিল্যান্ডের জন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নতুন দুয়ার উন্মোচন। | সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্ক কর্তৃক গভীর উদ্বেগ প্রকাশ। |









