চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার সিএমপি তালিকার দুই সন্ত্রাসী

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) তাদের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার কর্ণফুলী থানার ওসি শাহীন আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ১৩ মামলার আসামি আক্তার হোসেন প্রকাশ আক্তার এবং ছয় মামলার আসামি নুরুল আমিন টিটু। সিএমপি তাদের সন্ত্রাসী তালিকার ৪১ ও ৪২ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

ওসি শাহীন আলম জানান, “দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত অন্যান্য সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হোসেনকে বৈরাগ উত্তর বন্দরের মরিয়ম বেগম প্রকাশ বদনীর বাড়ি থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:

  • একটি দেশীয় তৈরি এলজি

  • একটি পুরাতন বিদেশি রিভলভার

  • দুটি চাইনিজ কুড়াল

  • একটি ধামাসহ অন্যান্য অবৈধ অস্ত্র

গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র রাখার মামলাসহ ১৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে খুন, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অপরদিকে, নুরুল আমিন টিটুকে শিকলবাহার এলাকার জামালপাড়া থেকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে কর্ণফুলী থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। টিটুর বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে খুন, অস্ত্র ও মাদকের মামলা রয়েছে।

নিচের টেবিলটি গ্রেপ্তারকৃতদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করছে:

নামমামলা সংখ্যাতালিকা নম্বরউদ্ধারকৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামগ্রেপ্তারের এলাকা
আক্তার হোসেন প্রকাশ আক্তার১৩৪২দেশীয় এলজি, রিভলভার, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ধামাসহ অন্যান্য অবৈধ অস্ত্রবৈরাগ উত্তর বন্দর, মরিয়ম বেগম প্রকাশ বদনী বাড়ি
নুরুল আমিন টিটু৪১নির্দিষ্ট নয় (অবৈধ অস্ত্র)শিকলবাহার, জামালপাড়া

পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযান চট্টগ্রামে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় আরও অভিযান চালানো হবে এবং তালিকাভুক্ত অন্যান্য সন্ত্রাসীদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

ওসি শাহীন আলম আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল করা। সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদে থাকেন, তা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার।”

此次 গ্রেপ্তারি অভিযান স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে, এবং শহরের নাগরিকরা পুলিশের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছে।