গম্ভীরের সিদ্ধান্তে সমালোচনা, রোহিতের রেকর্ডে আনন্দ প্রকাশ আফ্রিদির

বর্তমান ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতীয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা যেন এক ঝলক দেখাচ্ছেন। নিয়মিত রান করা ছাড়াও তার প্রগতিশীল ব্যাটিং ধারা বিশ্ব রেকর্ডও স্পর্শ করেছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি সম্প্রতি রোহিতের এই রেকর্ডভাঙার খবর পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তবে আফ্রিদি ভারতের সাবেক কোচ গৌতম গম্ভীরের কিছু সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন।

ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বাধিক ছক্কা হাঁকার রেকর্ড আগে আফ্রিদির নামে ছিল। ৩৯৮ ওয়ানডে ম্যাচে তিনি মোট ৩৫১টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু রোহিত শর্মা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রাঁচির প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে এই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। আফ্রিদি বলেছেন,

“রেকর্ড ভাঙা মানেই খেলার প্রকৃত স্বাদ। আমি আনন্দিত যে আমার প্রিয় একজন খেলোয়াড়ই এই রেকর্ড ভেঙেছে। এটা শুধু সংখ্যা নয়, বরং প্রতিভার স্বীকৃতি।”

আইপিএলে ডেকান চার্জার্সের হয়ে খেলার সময় আফ্রিদি রোহিতকে কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি রোহিতের ব্যাটিং প্রতিভার প্রশংসা করে বলেন,

“আমি তখনই জানতাম রোহিত একদিন ভারতের হয়ে খেলবে। সে নিজস্ব যোগ্যতা দিয়ে বিশ্বকে প্রমাণ করেছে যে সে সেরা ব্যাটারদের একজন।”

তবে আফ্রিদি ভারতের দুই তারকা ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির প্রতি গৌতম গম্ভীরের দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন করেননি। গম্ভীরের কোচিং সময়ে এই দুই খেলোয়ার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন, এবং ওয়ানডে ক্যারিয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। আফ্রিদি মন্তব্য করেন,

“দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দু’জনের পারফরম্যান্স অসাধারণ ছিল। গম্ভীর যেন মনে করেন তার কথাই সব সময় ঠিক, কিন্তু তা সম্ভব নয়। রোহিত ও বিরাট এখনও ভারতের মেরুদণ্ড। তাদের দক্ষভাবে ব্যবহার করা উচিত। তাদের প্রতিভা দেশকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।”

তথ্যসূচক তুলনা

বিষয়শহিদ আফ্রিদিরোহিত শর্মা
ওয়ানডে ম্যাচ৩৯৮
মোট ছক্কা৩৫১রাঁচিতে রেকর্ড ভাঙা
আইপিএল অভিজ্ঞতাডেকান চার্জার্সমুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
দেশের হয়ে অভিজ্ঞতাপাকিস্তানভারত
বিশেষ মন্তব্যরেকর্ড ভাঙার আনন্দসেরা ব্যাটারের মধ্যে প্রমাণ

আফ্রিদির মন্তব্য স্পষ্টভাবে দেখায় যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রেকর্ড ভাঙা কেবল সাফল্য নয়, এটি খেলোয়াড়ের ক্ষমতা ও দক্ষতার প্রকাশ। তিনি ভারতের দুই তারকা রোহিত ও বিরাটকে দেশের জন্য আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেছেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা দেশের ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম।