প্রাইম ব্যাংক প্রকাশ করল টেকসইতা ও জলবায়ু প্রতিবেদন

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি আজ (শুক্রবার) তার টেকসইতা প্রতিবেদন এবং জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা ব্যাংকের দায়বদ্ধ, পরিবেশসচেতন এবং জলবায়ু-বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের টেকসই ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক চৌধুরী লিয়াকত আলী, যা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ওয়েস্টিন ঢাকা-তে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে চৌধুরী লিয়াকত আলী ব্যাংককে টেকসইতার পথে প্রেরণা দেন এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য নিয়ন্ত্রকের প্রত্যাশা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ ও সামাজিক দিকগুলোকে ব্যবসার সঙ্গে সমন্বিত করা বর্তমান ব্যাংকিং খাতের জন্য অপরিহার্য। প্রাইম ব্যাংকের উদ্যোগ এই দিক থেকে অনুপ্রেরণামূলক।”

প্রাইম ব্যাংক পিএলসির সিইও হাসান ও রশীদ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা লক্ষ্য এবং বৈশ্বিক জলবায়ু অগ্রাধিকার সঙ্গে ব্যাংকের কৌশলগত সংযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “এই প্রতিবেদন আমাদের মূল ব্যবসার সঙ্গে টেকসইতা সংযুক্ত করার এবং একটি সবুজ ভবিষ্যৎকে সমর্থন করার সংগ্রামের পরিচয় বহন করছে।”

প্রাইম ব্যাংক পরিবেশ এবং সম্প্রদায়ের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন CSR কার্যক্রমের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ব্যাংকের প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক দায়িত্বশীল উদ্যোগ এবং সম্প্রদায়ের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক প্রোগ্রাম। ব্যাংক এইসব উদ্যোগের মাধ্যমে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা এবং জলবায়ু সচেতন নেতৃত্ব প্রদর্শন করছে, যা জাতীয় ও বৈশ্বিক টেকসইতা এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল রহমান, সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের টেকসই ফাইন্যান্স বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং CSR সহযোগীরা।

নিচের টেবিলে প্রাইম ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর মূল বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

প্রতিবেদনবিষয়বস্তু
Sustainability Reportব্যাংকের পরিবেশগত ও সামাজিক উদ্যোগ, CSR কার্যক্রম, সম্প্রদায়ের টেকসই উন্নয়ন
Climate Action Reportজলবায়ু সচেতন নীতি ও কর্মপরিকল্পনা, সবুজ ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা

প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক তার ব্যবসার মূল কার্যক্রমের সঙ্গে টেকসইতা সংযুক্তকরণ, জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ব্যাংকের এই উদ্যোগ দেশের আর্থিক খাতে দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশ-বান্ধব ব্যাংকিংকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে।