আইসিবি থেকে ২৫ কোটি টাকার ঋণ পাচ্ছে এনসিসিবি সিকিউরিটিজ

গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড আইসিবি থেকে ২৫ কোটি টাকার ঋণ সুবিধা পেতে যাচ্ছে। এই চুক্তি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করবে এবং দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মতিঝিলের আইসিবি প্রধান দপ্তরে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ এবং এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এনসিসিবি সিকিউরিটিজের পরিচালক এম শামসুল আরেফিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল হুদা, মহাব্যবস্থাপক মো. হাবিব উল্লাহ, উপ-মহাব্যবস্থাপনা পরিচালক বাবুল চন্দ্র দেবনাথ, এনসিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসানুল আরেফিন এবং এফএভিপি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

চুক্তি অনুষ্ঠানে আইসিবির নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ বলেন,

“আইসিবি ধারাবাহিকভাবে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। এই ঋণ সুবিধা বাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমকে আরও মসৃণ এবং পুঁজিবাজারের নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।”

এদিকে এনসিসি ব্যাংকের এম শামসুল আরেফিন বলেন,

“আইসিবি দীর্ঘদিন ধরে দেশের পুঁজিবাজার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই ঋণ সুবিধা উভয় প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার বন্ধনকে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে আরও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাজারকে আরও স্থিতিশীল করবে।”

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই ঋণ সুবিধার মাধ্যমে এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজ তাদের অর্থায়ন কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করতে পারবে এবং পুঁজিবাজারে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সঞ্চয় তৈরি হবে। এক্ষেত্রে আইসিবির ভূমিকা শুধুমাত্র ঋণ প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

চুক্তির সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বিষয়তথ্য
মোট ঋণ২৫ কোটি টাকা
ঋণ প্রদানকারীআইসিবি
ঋণ গ্রহণকারীএনসিসিবি সিকিউরিটিজ
অনুষ্ঠানস্থলআইসিবি প্রধান দপ্তর, মতিঝিল
উপস্থিত কর্মকর্তা৬ জন

এই চুক্তির মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, আইসিবি ও এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ভবিষ্যতে উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে আরও নতুন প্রকল্প ও আর্থিক সমাধান বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পুঁজিবাজারের বিভিন্ন মাধ্যম ইতোমধ্যেই এই চুক্তিকে একটি বড় আর্থিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।