ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থানরত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি তাঁর জীবনের সবচেয়ে নাজুক সময় পার করছেন। ছোট্ট ছেলে ফারিশকে নিজের ‘রুহ’ হিসেবে উল্লেখ করে মাহি ফেসবুকে লিখেছেন, “আমার রুহ ভারতে, আর আমি আমেরিকায়।” মা–ছেলের সরাসরি দেখা না হওয়ায় প্রতিটি দিন যেন নতুন কষ্টের অধ্যায় হয়ে উঠছে। ভিডিও কলের মধ্যে ফারিশের হাসি দেখলেও সেই আনন্দ পূর্ণ হয় না; বরং আরও তীব্র করে দেয় দূরত্বের বেদনা।
মাহির জীবনের প্রায় সমস্ত সময়ই ছেলের যত্নে কেটে গেছে। জন্মের পর অভিনয় কমিয়ে দিয়ে তিনি প্রতিটি মুহূর্তকে ফারিশের সঙ্গে ভাগ করেছেন—হাঁটা শেখানো, খেলা, হাসি আর ভিডিওতে ধারণ করা প্রতিটি মুহূর্ত। এই স্মৃতিগুলোই এখন তাঁর শক্তি, আবার কখনো কখনো কান্নার কারণ।
পেশাগত জীবনে মাহি নানান ওঠাপড়ার মধ্য দিয়ে গেছেন। ২০১২ সালে ‘ভালোবাসার রঙ’ দিয়ে ঢালিউডে অভিষেক, সম্পর্কের ভাঙন এবং ব্যক্তিগত সংকট—সব মিলিয়ে তাঁর সংবেদনশীলতা ও দৃঢ়তা বেড়েছে। যদিও নিউইয়র্ক যাওয়ার কারণে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে, মাহি স্পষ্ট করেছেন, এটি শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজের জন্য।
মাহির এই প্রকাশিত অনুভূতি এবং ফেসবুক পোস্টগুলো থেকে বোঝা যায়, মাতৃত্বের বন্ধন কতটা শক্তিশালী। বর্তমান দূরত্ব সত্ত্বেও মা–ছেলের সম্পর্কের অন্তরঙ্গতা দৃঢ়; একে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই সংযুক্ত রাখছে। এই সময়ের কষ্ট ও অপেক্ষা, মাহিকে আরও সংবেদনশীল এবং ছেলের প্রতি অনুগত করে তুলেছে, যা তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের প্রেক্ষাপটকে আরও গভীরতা দিয়েছে।
