দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন বিতর্কে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রেপ্তার

দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন ঘোষণা ও সংশ্লিষ্ট ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোয়াং কিয়ো-আন এবং সাবেক জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএস)-এর প্রধান চো তে-ইয়ংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা ইয়নহ্যাপের তথ্য অনুযায়ী, হোয়াং কিয়ো-আনকে ‘বিদ্রোহে উসকানি’ দেওয়ার অভিযোগে এবং চো তে-ইয়ংকে ‘গোয়েন্দা আইন লঙ্ঘন ও দায়িত্বে অবহেলার’ অভিযোগে আটক করা হয়েছে। সামরিক আইন ঘোষণার পর হোয়াং কিয়ো-আন জাতীয় পরিষদের স্পিকারকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন এবং ‘নির্বাচনী জালিয়াতদের নির্মূলের’ দাবি তুলেছিলেন। অন্যদিকে, চো তে-ইয়ং-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সামরিক আইন ঘোষণার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন, কিন্তু তা জাতীয় পরিষদকে জানাননি।

এর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মূল অভিযুক্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল কারাগারে বিচারাধীন রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি উত্তর কোরিয়ায় গোপনে ড্রোন পাঠিয়ে সংঘাত সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিলেন, যাতে নিজের সামরিক শাসনের বৈধতা নিশ্চিত হয়। ক্ষমতায় থাকাকালীন ইউন সেনা পাঠিয়ে সংসদ দখলের চেষ্টা করেছিলেন, তবে ব্যর্থ হন। এই ঘটনার কারণে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম কর্মরত অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন।

বর্তমানে তার স্ত্রী কিম কিয়ন-হিও দুর্নীতির মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

জিলাইভ/টিএসএন