পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে প্রায় এক বছর আগে এরশাদ আলী নামের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে হারুনুর রশীদ ৭৬ লাখ টাকা ধার নেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ উঠে।
পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ায় ব্যবসায়ী এরশাদ আলী জামালপুর আদালতে হারুনুর রশীদের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। মামলার কার্যক্রম শেষে আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে তাকে ৭৬ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন এবং একই সঙ্গে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আদালতের রায়ে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য মেলান্দহ থানার পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার ভিত্তিতে পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর হারুনুর রশীদকে মেলান্দহ থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তাকে সোমবার সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ রায় প্রদান করা হয়। আদালতের রায়ে অর্থ ফেরত ও কারাদণ্ড—উভয় দিকই উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পর গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে থানায় রাখা হয়েছে এবং তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে হাজির করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এই মামলাটি জামালপুরের স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে, কারণ এতে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া জড়িত ছিল।