ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

বিনোদন

৫০ বছর পর স্মৃতিতে বেঁচে থাকা ‘আয় খুকু আয়’-এর খুকু

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৭ই জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৬ এএম

৫০ বছর পর স্মৃতিতে বেঁচে থাকা ‘আয় খুকু আয়’-এর খুকু

১৯৭৬ সালে রেকর্ড হয় ‘আয় খুকু আয়’, যেখানে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক নতুন কণ্ঠের মেলবন্ধন তৈরি হয়। গানটির অপরিহার্য শিল্পী ছিলেন শ্রাবন্তী মজুমদার। ধীরে ধীরে এই গান দুই বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে যায়। বাংলাদেশেও পরে ‘দ্য ফাদার’ চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করা হয়। ২০২৬ সালে এই গানটির ৫০ বছর পূর্ণ হলো।

শ্রাবন্তী মজুমদারের জন্মদিন ৩ জানুয়ারি, এবং গানের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক মাসুম অপু হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর সঙ্গে আড্ডা দেন। আইরিশ সাগরের ছোট্ট দ্বীপ আইল অব ম্যান থেকে ফোনে ভেসে আসা তার মিষ্টি কণ্ঠে শ্রোতারা আবারও হারিয়ে যান অতীতে।

গানের গল্পটি শ্রাবন্তী নিজের মুখে শেয়ার করলেন। কথাগুলো লিখেছিলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুর দিয়েছিলেন ভি বালসারা। “অনেকে মনে করেন, এটি মূলত হেমন্তদার গান। কিন্তু এটি আমার অ্যালবামের জন্য করা হয়েছিল।” গানটি প্রথমে খুব জনপ্রিয় হয়নি। শ্রাবন্তী জানান, “গান বেরোনোর দুই বছর পরও মানুষ শুনতে চাইতেন না। পরে একাই মঞ্চে গাইতে শুরু করি, ধীরে ধীরে সবাই শুধু ‘আয় খুকু আয়’-ই শুনতে চায়।”

গানটির জনপ্রিয়তা ও শ্রাবন্তীর জীবনে প্রভাব নিচের টেবিলে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

বিষয়বিবরণ
গান রেকর্ড১৯৭৬
মূল শিল্পীশ্রাবন্তী মজুমদার, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
গীতিকরপুলক বন্দ্যোপাধ্যায়
সুরকারভি বালসারা
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ব্যবহার‘দ্য ফাদার’
জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিপ্রথম দুই বছর ধীরে, পরে সর্বত্র জনপ্রিয়
শ্রাবন্তীর অবস্থান বর্তমানেআইল অব ম্যান, ডগলাস শহর

শ্রাবন্তী কিশোর বয়সে শাস্ত্রীয় সংগীতের দিকে আকৃষ্ট হননি, বরং আধুনিক গান ও ইংরেজি পপের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। বাবা চাইতেন তিনি শাস্ত্রীয় শিল্পী হোন। তবে তিনি জিঙ্গেল গান দিয়ে নিজস্ব পরিচয় তৈরি করেন, যেমন বোরোলিন ক্রিম বা হেয়ার অয়েল-এর বিজ্ঞাপনে তাঁর কণ্ঠ এক জাদুকরী আবহ তৈরি করত।

শ্রাবন্তী ২৫ বছর আগে কলকাতা ছেড়ে আইল অব ম্যানের রাজধানী ডগলাসে স্থায়ী হন। ছোট্ট দ্বীপ হলেও সাংস্কৃতিক কর্মচাঞ্চল্যে সমৃদ্ধ। বিদেশে দীর্ঘ সময় থাকা সত্ত্বেও তাঁর বাংলা ঝরঝরে, এবং তিনি এখনও বাংলাদেশের শিল্পীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। তিনি বলেন, “আমি প্রথমত বাঙালি, দ্বিতীয়তও বাঙালি, শেষ পর্যন্তও বাঙালি। দেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও কথা বলতে পারব, মাটির মানুষের সঙ্গে মেঝেতে বসেও খেতে পারব।”

শ্রাবন্তীর কণ্ঠে আবেগ ও নস্টালজিয়া আজও তরুণ-প্রজন্মকে ছুঁয়ে যায়। বাংলাদেশের ঢাকায় গান করা স্মৃতিগুলো তাঁর কাছে জীবন্ত। ‘আয় খুকু আয়’-এর মতো গান এক প্রজন্মকে অতীতের সঙ্গে যুক্ত রেখে আজও হৃদয় জয়ের ক্ষমতা রাখে।

মন্তব্য