হামিদা বানু শোভা (জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪) হলেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। তিনি কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তিনি নীলফামারী-১ থেকে নির্বাচিত অষ্টম জাতীয় সংসদের এবং নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য।
Table of Contents
হামিদা বানু শোভা । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন
হামিদা বানু শোভা ১৯৫৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
কর্মজীবন
হামিদা বানু শোভা ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার ডিমলা) আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর পূর্বে ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন কিন্তু পরাজিত হন।
২০০৮ সালে নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পাননি কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৬ এর জন্য সদস্য মনোনীত হন। ২০০৯ সাল থেকে শোভা আওয়ামী লীগের সাব-কমিটির সহকারী সেক্রেটারি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।

সংসদ সদস্য
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সাধারণত সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ
- সৈয়দা জোহ্রা আলাউদ্দিন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ
- নিরাপদ ও নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী
- জাকিরের অভিষেক সেঞ্চুরি ও সাকিবের লড়াইয়ের পর হারলো বাংলাদেশ
- রাশিয়ান হামলায় গ্রিডের বিপর্যয় : বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছে ইউক্রেন
- খুনি যুদ্ধাপরাধীরা যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী