শওকত আলী খান একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। ১৯৭০ সালে তিনি মির্জাপুর থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত টাঙ্গাইল-৭ আসন থেকে জাতীয় সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।
Table of Contents
শওকত আলী খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

ইতিহাস
তিনি মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে ভূমিকা রাখেন এবং বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে আলোচনার পর তাকে বঙ্গবন্ধু নিজ এলকায় যাওয়ার নির্দেশ দেন (২৩ মার্চ ১৯৭১), এরপর তিনি নিজ গ্রাম লাউহাটীতে চলে আসেন (২৪ মার্চ ১৯৭১)।
তিনি যুদ্ধের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে (মাইনারচর, ভারত) গেরিলা বাহিনীর একটি কোম্পানিসহ দেশের ভেতরে আসে (আগস্ট ১৯৭১)। তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতার পর তিনি সংবিধান রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি ছিলেন।
জন্ম
দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটী গ্রামে ১৯২৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবন
তিনি লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারী পাস করেন।
কর্মজীবন
তিনি হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন এবং সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন (১৯৭০)।

সংসদ -সদস্য
সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ- সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সাধারণত সংসদ- সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ -সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ