ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত ইউক্রেন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ই মার্চ ২০২৫, ৪:২৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত ইউক্রেন

সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন বৈঠকে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণে সম্মতি জানিয়েছে ইউক্রেন। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব অনুযায়ী তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে ইউক্রেন প্রস্তুত। উভয় পক্ষের সম্মতিতে এ সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে এবং রাশিয়া রাজি থাকলে একযোগে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত ইউক্রেন

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি আকাশ, সমুদ্র ও স্থল—সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সৌদি বার্তা সংস্থা ‘এসপিএ’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে খনিজ চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন হবে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেন এই চুক্তি স্বাক্ষর করবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগিসহ নিরাপত্তা সহায়তা পুনরায় শুরু করবে।

এ ঐকমত্য তখন এলো, যখন ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত এবং ১৮ জন আহত হন। হামলার কারণে মস্কোর চারটি বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রধান আন্দ্রি ইয়ারমাক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে শুরু হয়েছে এবং তারা স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য কাজ করছেন। এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিবিসিকে জানান, আলোচনায় ‘ভালো কিছু’ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে সৌদি আরব।

এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে মার্কিন প্রতিনিধিরা রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৩৭টি ড্রোন দিয়ে ইউক্রেন রাশিয়াজুড়ে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে মস্কো অঞ্চল লক্ষ্য করে ৯১টি ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হয়। এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে রুশ বাহিনী দাবি করেছে।

এদিকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সোমবার রাতে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২৬টি ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে আক্রমণ চালানো হয়।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, এটি ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা। রুশ এক আইনপ্রণেতা বলেছেন, এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার উচিত ‘ওরেশনিক’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনকে আঘাত হানা।

এদিকে, রুশ বাহিনীর চাপে কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনারা পিছু হটছে বলে দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়া ইতোমধ্যে অন্তত সাতটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে তারা।

শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে, যার ফলে প্রাণহানিও বেড়েছে।

মন্তব্য