মোস্তাফিজুর রহমান পটল (মৃত্যু: ১৯৭৫) বাংলাদেশের বগুড়া জেলার রাজনীতিবিদ ও বগুড়া-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন।
Table of Contents
মোস্তাফিজুর রহমান পটল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন
মোস্তাফিজুর রহমান পটল বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার কামরুন্নাহার পুতুল স্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদের মহিলা আসন-৪ থেকে মনোনীত সংসদ সদস্য ছিলেন। তার ছেলে রাহিদ মোস্তাফিজ, বড় মেয়ে তানিয়া মোস্তাফিজ রাম্মী ও ছোট মেয়ে আনিকা মোস্তাফিজ রুম্মা।[২]
রাজনৈতিক জীবন
পটল তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বগুড়া-৫ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ঐ সংসদের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন।
সমালোচনা
মোস্তাফিজুর রহমান পটলের ছেলে রাহিদ মোস্তাফিজকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে তার বগুড়া শহরের কালিতলার বাসা থেকে ৫৫ বোতল ফেন্সিডিল এবং ফেন্সিডিল বিক্রির নগদ ৪৭ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ।

মৃত্যু
মোস্তাফিজুর রহমান পটল ১৯৭৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
সংসদ সদস্য
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ