মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ডে পালিয়ে গেল আরও ৪ শতাধিক মানুষ

মিয়ানমারে জান্তা ঘাঁটিতে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ড্রোন হামলার পর ৪১৪ জন বাসিন্দা সীমান্ত পেরিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছে। ব্যাংকক থেকে এএফপি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে এ হামলা এবং পালানোর ঘটনা ঘটে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি চলছে। জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থী গেরিলা ও জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র সংগঠনগুলো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় বাণিজ্য এবং চোরাচালানের রুটের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে লড়াই তীব্র।

থাই সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে জানানো হয়, কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (KNLA) এবং কারেন ন্যাশনাল ডিফেন্স অর্গানাইজেশন (KNDO) মিলে স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে ড্রোনের মাধ্যমে মিয়ানমারের জান্তা ঘাঁটিতে হামলা চালায়।

এরপর ৪১৪ জন মিয়ানমারবাসী পালিয়ে থাইল্যান্ডের তাক প্রদেশের মায়ে লা এলাকার কাছে আশ্রয় নেয়। তাদের সাময়িকভাবে স্থানীয় একটি মন্দির ও মঠে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ড সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় কারেন জাতিগত গোষ্ঠীর সশস্ত্র সংগঠনগুলো জান্তার অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের কারণে এ পর্যন্ত প্রায় ৮১ হাজার মানুষ থাইল্যান্ডে শরণার্থী বা আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে অবস্থান করছে।