ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিনগত রাতে মহাখালী আমতলী এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা গুরুতর আহত অবস্থায় নীলিমা রানী সুমনাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
নিহত নীলিমা রানী সুমনা কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার ছোট কুষ্টারি গ্রামের সুবাস চন্দ্র বর্মণের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি স্টুডেন্ট ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএসটি)-এর দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি মহাখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বাবা সুবাস চন্দ্র বর্মণ জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য জানতে পারেননি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মৃত্যুর পর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি কর্মজীবন চালিয়ে যাওয়া নীলিমা রানী সুমনার মৃত্যুর খবর তার সহকর্মী ও পরিচিতদের মধ্যেও শোকের ছায়া ফেলেছে।