মধুমতি ব্যাংক পিএলসি তার কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে একটি ১২ সিটের ইলেকট্রিক গাড়ি হস্তান্তর করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কারাগারে বন্দি এবং কর্মীদের মধ্যে নিরাপদ ও দ্রুত পরিবহন নিশ্চিত করা। ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি কেবল দৈনন্দিন কার্যক্রমকে সহজ করবে বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ব্যাংকের অঙ্গীকারকেও প্রতিফলিত করবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব হুমায়ূন কবীর উপস্থিত থেকে গাড়িটির চাবি হস্তান্তর করেন কোলোনেল মোঃ তানভীর হোসেনকে, যিনি অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল অব প্রিজনস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির সদস্যরা যেমন জনাব সালাহউদ্দিন আলমগীর, জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ও জনাব এ. মান্নান খানও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ শফিউল আজম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা জনাব আরিফ হাসান খান, কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার্স মিস সুরাইয়া আক্তার এবং জনাব মোঃ টাইফ উদ্দিন মিয়া সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেছিলেন।
ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ১২ সিটের ইলেকট্রিক গাড়িটি কারাগারের বিভিন্ন স্থানে কর্মীদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে দ্রুত এবং সহজ করার পাশাপাশি কর্মী নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া, এটি কারাগারের পরিচালনাকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে সাহায্য করবে।
নিম্নলিখিত টেবিলে গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মূল তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| উদ্যোগকারী প্রতিষ্ঠান | মধুমতি ব্যাংক পিএলসি |
| উপহার প্রকার | ১২ সিটের ইলেকট্রিক গাড়ি |
| অনুষ্ঠান তারিখ | বৃহস্পতিবার, ২০২৬ |
| স্থান | ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার |
| প্রধান অতিথি | জনাব হুমায়ূন কবীর, চেয়ারম্যান, মধুমতি ব্যাংক |
| চাবি গ্রহনকারী | কোলোনেল মোঃ তানভীর হোসেন, অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল |
| উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব | ব্যাংক ও কারাগারের পরিচালক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা |
| উদ্দেশ্য | দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকর পরিবহন নিশ্চিত করা |
মধুমতি ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ভবিষ্যতেও আরও প্রগতিশীল সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাংক তার সম্প্রদায় ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রমাণ করছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক উন্নয়নেও অবদান রাখার লক্ষ্য রাখছে।
মোট কথায়, এই উপহার ব্যাংক ও কারাগারের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং বন্দি ও কর্মীদের দৈনন্দিন কাজের পরিবহন সহজতর করবে, যা একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
