অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে , খুলনায় একটি

অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে , খুলনায় একটি। বরিশাল সিটি করেপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর ওপর হামলার কারণে শেষ পর্যন্ত ভোট প্রত্যাখান করে দলটি। খুলনা সিটির ভোটও প্রত্যাখ্যান করে তারা। দলটি বরিশালের সিটি ভোটে মোট ৯ ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণে অনিয়মের অভিযোগ করেছে রিটার্নিং অফিসারের কাছে। ওয়ার্ডগুলো হলো ২, ৯, ১৫, ১৩, ২৫, ২৬, ২২, ২৭ ।

এদিকে খুলনা সিটির ১২ নং ওয়ার্ডের স্যাটেলাইট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হাত পাখায় ভোট দিলে নৌকায় যায় বলে অভিযোগ উঠে। কিন্তু পরে ভোটার স্বীকার করেন, ইভিএমে অজ্ঞতার কারণে এমনটা ঘটে। বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির, হাতপাখা প্রতীকের মেয়রপ্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ১২ জুন বরিশাল সকাল থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত বিভিন্ন  কেন্দ্র থেকে হাত পাখার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। রিটানিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরের নিকট অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

 

অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে , খুলনায় একটি

 

অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে , খুলনায় একটি

 

ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল মহানগরের প্রচার সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন আমাদের নতুন সময়কে বলেন, যখন শায়েখের উপর আক্রমন হয়; তখন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত ছিল। তারা দেখব দেখছি অর্ডার নাই বলে পুতুল হয়ে ছিলো। তিনি বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে নৌকার পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তুলেছেন।

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি পালনে সব প্রার্থীকেই সমানভাবে বাধ্য করা থাকলেও লাঙ্গলের সঙ্গে আচরণধি ছিল ভিন্ন। আমি মৌখিক ভাবে অভিযোগ করি, তবে লিখিত দেইনি। সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়া খুলনা ও বরিশাল সিটির ভোটে যত অনিয়ম হয়েছে তা তদন্ত করে বুধবারের মধ্যে প্রশাসনকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে ইসি। ইসি এই নির্দেশনায় আরো বলেন, এই দুই সিটির ভোট নিয়ে গণমাধ্যমে যে সব অনিয়ম প্রচার করা হয়েছে তার সবই তদন্ত করে প্রতিবেদন চেয়েছে ইসি।

 

অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে , খুলনায় একটি

 

এই বিষয়ে খুলনা ও বরিশাল সিটির ভোটের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব বলেন, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওপর হামলার সঙ্গে সঙ্গে আমরা হামলাকারীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছি এবং বিকেলে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষমও হয়েছে। এছাড়া এ সময় ভোট গ্রহণে কোন ধরনের বাধার সৃষ্টি হয়নি।

Leave a Comment