টুয়েন্টি২০ ক্রিকেটের আলোচিত ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক একবার আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি সমসাময়িক ক্রিকেটের অন্যতম বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকার এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাত্র ৪৩ বল খেলে শতক হাঁকিয়ে দলকে commanding জয় এনে দেন।
এটি ২০২৩ সালের স্মরণীয় কীর্তির পুনরাবৃত্তি, যখন একই মাঠে তিনি একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৪৩ বলেই ২৫৯ রানের লক্ষ্য পূরণ করেছিলেন। ডি ককের এই ম্যাস্টারক্লাস ইনিংসের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা সাত উইকেটে জিতেছে এবং সিরিজে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই জয়ের ছাপ নিশ্চিত হয়েছে। এটি প্রোটিয়াদের পাঁচটি পরপর সিরিজ হারের পরে একটি বড় মানসিক উল্লাস এনে দিয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য শিমরন হেটমায়ার দৃঢ় প্রমাণ দেন, ৪২ বল খেলে ৭৫ রান করেন। কিন্তু তার ইনিংস ছায়া পড়ে শারফেন রদারফোর্ডের ২৪ বল খেলে অপরাজিত ৫৭ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংসের সামনে। এই late flourish দলের জয়ের চেষ্টাকে শেষ পর্যন্ত যথেষ্ট প্রভাবিত করতে পারেনি।
ডি ককের ইনিংসের একটি চমকপ্রদ দিক হলো, তিনি নিজের পছন্দের ব্যাটটি ঘরে ভুলে আসায় টিমমেট রীজা হেন্ড্রিক্সের ব্যাট ব্যবহার করেছিলেন। তবে এতে কোনো প্রভাব পড়েনি; ডি কক নিরবিচ্ছিন্নভাবে ক্যারিবীয় বোলারদের আক্রমণ করে শতক পূর্ণ করেছেন। তার সঙ্গে রায়ান রিকেলটনও ৩৬ বল খেলে অপরাজিত ৭৭ রান করে দারুণ সংযোগ গড়ে তুলেন। তারা দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৭২ বল খেলে ১৬২ রানের জুটিতে খেলা effectively ম্যাচ শেষ করে দেন।
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটিং পারফরম্যান্সের সারসংক্ষেপ নিচের টেবিলে দেখানো হলো:
| ব্যাটসম্যান | বল | রান | স্ট্রাইক রেট | উইকেট/প্রেক্ষাপট |
|---|---|---|---|---|
| কুইন্টন ডি কক | 43 | 100* | 232.55 | ১ম উইকেট |
| রায়ান রিকেলটন | 36 | 77* | 213.88 | ২য় উইকেট |
| শিমরন হেটমায়ার | 42 | 75 | 178.57 | ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
| শারফেন রদারফোর্ড | 24 | 57* | 237.50 | ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
এই জয় দক্ষিণ আফ্রিকার আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে এবং সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি২০-এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ডি ককের ধারাবাহিক ব্যাটিং তাকে বিশ্বের দ্রুততম স্কোরারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে, যা এককভাবে ম্যাচের রূপ পরিবর্তন করতে এবং দর্শকদের আনন্দিত করতে সক্ষম।
