প্রিন্সটন ও ব্রাউনসহ যুক্তরাষ্ট্রের ১০০-র বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ একসাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শিক্ষা খাতে ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। মঙ্গলবার তারা একটি যৌথ চিঠি পাঠিয়ে এ হস্তক্ষেপের নিন্দা করে।
এই উদ্যোগ আসে এমন এক সময়, যখন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে, কারণ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তহবিল কমানোর হুমকি এবং রাজনৈতিক নজরদারির বিষয়টি সামনে আসে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, “আমরা একসাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বলছি—আমেরিকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারের নজিরবিহীন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং কর্তৃত্ববাদী আচরণ গভীরভাবে উদ্বেগজনক।”
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্পষ্ট করে জানায়, তারা গঠনমূলক সংস্কার এবং আইনসম্মত তত্ত্বাবধানকে স্বাগত জানায়, তবে সরকারের অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া যাবে না। তারা আরও বলে, “জনগণের গবেষণা তহবিলকে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাও অগ্রহণযোগ্য।”
ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি একাধিক নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে, তারা ইহুদি-বিরোধী মনোভাব সহ্য করছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বাজেট, করমুক্ত মর্যাদা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়ে।
এর মধ্যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, যেমন কলম্বিয়া, প্রশাসনের চাপের মুখে কিছু দাবি মেনে নিয়েছে। প্রশাসনের মতে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘বামপন্থী শিক্ষিত অভিজাতদের’ আধিপত্য বেশি।
বিশেষ করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে, হোয়াইট হাউস এর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে নজিরবিহীন হস্তক্ষেপ করতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই প্রবণতার বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে।
