আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক দলীয় র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দল হিসেবে ভারত তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রাখতে সক্ষম হয়েছে। তবে শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও দলটির রেটিং পয়েন্টে সামান্য পতন লক্ষ্য করা গেছে। র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান অপরিবর্তিত থাকলেও পয়েন্টের এই পরিবর্তন ভবিষ্যৎ আপডেটে প্রতিযোগিতাকে আরও ঘনিষ্ঠ করতে পারে।
বর্তমান তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড। সাম্প্রতিক সময়ের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফলে দলটি নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। তৃতীয় স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া, যারা দীর্ঘদিন ধরেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে বিবেচিত। চতুর্থ স্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলটি শীর্ষ সারির অবস্থান বজায় রেখেছে।
পঞ্চম স্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্সের কারণে দলটি উপরের সারিতেই অবস্থান করছে। ষষ্ঠ স্থানে আছে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক সিরিজগুলোর ফলাফলের ভিত্তিতে দলটির অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সপ্তম স্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যারা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ঐতিহাসিকভাবে শক্তিশালী দলগুলোর একটি।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এই র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ উন্নতি করে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। এর ফলে দলটি আগের অবস্থান থেকে উন্নতি করেছে এবং শীর্ষ দশে আরও ভালো জায়গা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের উন্নতির বিপরীতে শ্রীলঙ্কা এক ধাপ পিছিয়ে নবম স্থানে নেমে গেছে। দশম স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান, যারা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ধারাবাহিক উন্নতির ধারা ধরে রেখেছে।
শীর্ষ দশের বাইরে ১১তম স্থানে রয়েছে জিম্বাবুয়ে এবং ১২তম স্থানে আছে আয়ারল্যান্ড। দুই দলই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিয়মিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং সাধারণত দলগুলোর সাম্প্রতিক ম্যাচ, সিরিজ ফলাফল এবং নির্ধারিত পয়েন্ট পদ্ধতির ভিত্তিতে হালনাগাদ করা হয়। একটি দলের পারফরম্যান্স, জয়-পরাজয় এবং প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এসব হিসাবের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রতিটি সিরিজ ও ম্যাচ র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
নতুন প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখে ভারত আবারও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজেদের আধিপত্যের প্রমাণ দিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের এক ধাপ উন্নতি দলটির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
| অবস্থান | দল |
|---|---|
| ১ | ভারত |
| ২ | ইংল্যান্ড |
| ৩ | অস্ট্রেলিয়া |
| ৪ | নিউজিল্যান্ড |
| ৫ | দক্ষিণ আফ্রিকা |
| ৬ | পাকিস্তান |
| ৭ | ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
| ৮ | বাংলাদেশ |
| ৯ | শ্রীলঙ্কা |
| ১০ | আফগানিস্তান |
| ১১ | জিম্বাবুয়ে |
| ১২ | আয়ারল্যান্ড |
