জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ২০ পিস ইয়াবাসহ শাহ আলম (৪২) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি-১) পুলিশ। তিনি ভাটারা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ভাটারা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। একপর্যায়ে শাহ আলমের নিজ বাড়ির উঠানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
শাহ আলম ওই গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডিবি পুলিশের দাবি, শাহ আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে এসব মামলার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গ্রেপ্তারের পর শাহ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যসহ তাঁকে সরিষাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে পুলিশি পাহারায় আদালতে নেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে শাহ আলমের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ভাটারা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, ব্যক্তির কোনো অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না। শাহ আলমকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা যুবদলের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে শাহ আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলবে।









