ময়মনসিংহের ত্রিশালে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালকেরা। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কাকচর রোডের মাথায় গাড়ি থামিয়ে তারা সড়কে অবস্থান নেন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলা এ অবরোধে মহাসড়কের পূর্বপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চালকদের অভিযোগ, সিএনজি স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তাঁরা প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রে গাড়িতে নামমাত্র গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। এক থেকে দুইবার গ্যাস ব্যবহারের পরই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি তাঁদের।
চালকেরা জানান, গ্যাসের জন্য তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় একদিকে যেমন তাঁদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে আয়ও কমে যাচ্ছে। যাত্রী পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এ পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে।
গ্যাসের সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই বুধবার সকালে কয়েকজন চালক একত্র হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন থামিয়ে দেন। এতে মহাসড়কের পূর্বপাশে যানবাহনের সারি তৈরি হয়। বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা কিছু সময়ের জন্য আটকা পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ত্রিশাল থানার উপপরিদর্শক তালেব জানান, মহাসড়কে যান চলাচল অল্প সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। তিনি এবং ট্রাফিক পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
পুলিশের হস্তক্ষেপের পর চালকেরা সড়ক থেকে সরে গেলে মহাসড়কে যান চলাচল আবার শুরু হয়। বর্তমানে সড়কটি পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তবে চালকদের মূল দাবি, সিএনজি স্টেশনগুলোতে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা। তাঁদের ভাষ্য, পর্যাপ্ত গ্যাস না পেলে দীর্ঘ অপেক্ষা এবং বারবার গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হবে। ফলে বিষয়টির স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ চান তাঁরা।









