গাজা উপত্যকায় নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ড। দেশটি একজন থাই নাগরিকসহ অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।
Table of Contents
সংঘাতের পটভূমি
চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পর নতুন করে আলোচনা না করেই মঙ্গলবার গাজায় আবার হামলা চালায় ইসরাইল।
- হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, নতুন হামলায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
- এই হামলা শান্তি আলোচনার সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
থাইল্যান্ডের প্রতিক্রিয়া
শুক্রবার থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,
“গাজা উপত্যকায় পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় থাইল্যান্ড গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও হতাশ।”
থাইল্যান্ড সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শন, সংঘাত বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য পুনরায় আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে।
থাই নাগরিকদের মুক্তির আহ্বান
বিবৃতিতে গাজায় হামাসের কাছে জিম্মি থাকা একজন থাই নাগরিকসহ সকল বন্দির মুক্তি এবং নিহত দুই থাই নাগরিকের মরদেহ প্রত্যাবাসনের দাবি জানানো হয়েছে।
- ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল হামলায় ৩১ জন থাই নাগরিক অপহৃত হন।
- ওই বছরের শেষ দিকে ২৩ জন মুক্তি পেলেও, দুইজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয় মে মাসে।
- যুদ্ধবিরতির পর ফেব্রুয়ারিতে আরও পাঁচজন দেশে ফেরেন, তবে এখনো একজন গাজায় জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শান্তির জন্য নতুন উদ্যোগের আহ্বান
থাইল্যান্ড সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার এবং জিম্মিদের দ্রুত মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।
