খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই নভেম্বর ২০২৫, ২:২৩ এএম

শ্রীনগরের নওগাম থানায় শুক্রবার রাতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হয়ে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশ ও ফরেন্সিক দল এবং শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা। দুর্ঘটনার সময় তারা প্রাপ্ত বিস্ফোরক পরীক্ষা করছিলেন। আহতদের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৯২ বেস হাসপাতাল এবং এসকেআইএমএসে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং বিস্ফোরণের উৎস নির্ণয় শুরু করে। জানা যায়, নওগাম থানায় রাখা বিস্ফোরক সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। নওগাম থানার তদন্তে আগে জৈইশ-ই-মোহাম্মদের পোস্টার লাগানোর ঘটনায় এই এলাকায় জঙ্গি কার্যক্রমের সূত্র পাওয়া যায়। তদন্তে দেখা গেছে, শিক্ষিত এবং পেশাজীবী কিছু ব্যক্তি জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে “টেরর ডাক্তার” ডা. আদিল আহমদ রাঠার, ডা. মুজাম্মিল শাকিল এবং ডা. শাহীন সাঈদ রয়েছেন। তাদের লকার থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, অ্যাসল্ট রিফেল এবং ৩,০০০ কেজির অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার হয়। তাদের সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য গ্রুপ ও ব্যক্তিদের বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে আরও তথ্য উদঘাটন করা হয়। এছাড়া দিল্লির ব্যস্ত এলাকায় গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনা, যেখানে ১৩ জন নিহত হন, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল।
এই ঘটনা শুধু নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক করার নয়, বরং সমাজে শিক্ষিত ও পেশাজীবী ব্যক্তিরা কীভাবে জঙ্গি কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারে তা দেখিয়েছে। প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এখন পুরো চক্রের কার্যক্রমের গভীরে তদন্ত চালাচ্ছে। ঘটনায় স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসন দু’পক্ষই নিরাপত্তা জোরদার করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মন্তব্য