জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৩ দিনের কর্মসূচি বিএনপির। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে এই মহান নেতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের মহান পথ প্রদর্শক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য আমরা আগামী ২৯ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৩ দিনের কর্মসূচি বিএনপির
এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ৩০ মে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা, স্বরচিত কবিতা পাঠ, বইমেলা প্রদর্শনী প্রভৃতি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এদিন দলের কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। বিএনপির প্রত্যেকটি অঙ্গসংগঠন আলাদা আলাদা করে কর্মসূচি করবে।
ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে দুঃস্থ ও অসহায়দের মধ্যে বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ ও দোয়া মাহফিল করবে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পত্র-পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওপর পোস্টার প্রকাশ করা হবে।
বিএনপি মহাসচিবের সভাপতিত্বে যৌথ সভায় দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, তাইফুল ইসলাম টিপু, তারিকুল আলম তেনজিং, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির রফিকুল আলম মজনু, যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের অভ্যুত্থানে নিহত হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই থেকে এই দিনকে বিএনপি ‘শাহাদাত দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে।