কয়েকদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জনগণের তীব্র ক্ষোভ দেখতে পাবেন: রিজভী। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আরো বলেন, কোন অন্যায়ের কাছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো মাথা নত করেননি, তিনি কখনো দেশ ছেড়ে যাননি।
শেখ হাসিনা গিয়েছিলেন। তারপরে তিনি মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনকে বললেন বেগম খালেদা জিয়া দেশে রয়েছে আমিও যাবো। তারপরে তিনি তাদের সাথে মাস্টারপ্ল্যান করে ক্ষমতায় আসলেন। এরপরে শুরু হয়েছে একটু একটু করে আমাদের সার্বভৌমত্ব দুর্বল করার চক্রান্ত।
কয়েকদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জনগণের তীব্র ক্ষোভ দেখতে পাবেন: রিজভী
শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকাস্থ্য ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী পরিষদ আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

রিজভী বলেন, আপনারা যদি জনগণের পক্ষে থাকতেন তাহলে তলে তলে ম্যানেজ করার কথা বলতেন না। আপনারা এত ম্যানেজ করছেন সুষ্ঠু নির্বাচনের ম্যানেজ করছেন না কেন? একটা সুষ্ঠ নির্বাচন দেওয়ার জন্য আপনি পদত্যাগ করবেন এটা দেশের মানুষ বিশ্বাস করে। একটা নিরপেক্ষ সরকার দিন।
তিনি বলেন, আমরা তো বলছি না বিএনপির মনোনীত কোন প্রার্থীকে দিন। যিনি কোন দলের পক্ষপাতিত্ব করবেন না সবাই যাকে পছন্দ করে বিশ্বাস করবে তাকে দিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে শেখ হাসিনারা এত বাধছে কেন? তলে তলে সব ম্যানেজ করছেন। জনগণকে ম্যানেজ করার জন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিচ্ছেন না কেন?

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ১৯৭৫ সালের মর্মান্তিক যে হত্যাকাণ্ড আমি ব্যক্তিগতভাবেও দুঃখ প্রকাশ করি। কিন্তু নিজেকে সম্রাট মনে করলে, নিজের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী নাই মনে করলে আল্লাহর তরফ থেকে অনেক কিছুই হয়। আপনি প্রধানমন্ত্রীও তাই মনে করছেন। যে বেশি কথা বললো তাকে ধরে নিয়ে যাও। এ্যানী কথা বলল তাকে ধরে নিয়ে গেল শারীরিক নির্যাতন করেছে তাকে গায়েবী মামলা দিচ্ছে সুষ্ঠু ভোটের কোন বালাই নাই। তারপরেও কি আপনার শেষ রক্ষা হবে?