দীর্ঘ ১৩ বছর পর ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) সিরিয়ান আরব রিপাবলিকের সদস্যপদ পুনর্বহাল করেছে।
ওআইসিতে সিরিয়ার সদস্যপদ পুনর্বহাল
ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের (সিএফএম) ২০তম জরুরি অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। শুক্রবার জেদ্দায় সংস্থার সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এই সভায় সিরিয়ার সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
ওআইসি মহাসচিব হুসেইন ইব্রাহিম তাহা সিরিয়ার সদস্যপদ পুনর্বহালকে ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করে একে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “এটি সিরিয়ার জনগণকে তাদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে সহায়তা করবে।”
তিনি আরও বলেন, সিরিয়ার সদস্যপদ পুনর্বহাল দেশটিকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে রাজনৈতিক উত্তরণে সহায়তা করবে, যা আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও রাষ্ট্রগুলোর মর্যাদা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, ওআইসির লক্ষ্য ও নীতিমালা বাস্তবায়নে এবং ইসলামি বিশ্বে সিরিয়ার সক্রিয় ভূমিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সংস্থাটি সম্পূর্ণ সহযোগিতা দেবে বলেও জানান তিনি।
২০১২ সালে সিরিয়ার তৎকালীন আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন-পীড়ন, বেসামরিক নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা এবং নির্যাতনের অভিযোগে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল।
তিন মাস আগে সিরিয়ায় ক্ষমতার পরিবর্তনের পর এবার ওআইসির সদস্যপদ পুনর্বহালের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নতুন সিরিয়ান সরকারের প্রতি স্বীকৃতির প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
সিএফএম সভায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে চলমান ইসরাইলি আগ্রাসন নিয়েও আলোচনা হয়। সেখানে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
