এইচ এন আশিকুর রহমান বাংলাদেশের রংপুর জেলার রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি যিনি রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ।
Table of Contents
এইচ এন আশিকুর রহমান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জন্ম ও শিক্ষাজীবন
এইচ এন আশিকুর রহমান ১১ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে তার পৈতৃক বাড়ি রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
তার স্ত্রী রেহানা হক। তার শ্বশুর মোহাম্মদ আবদুল হক সাবেক মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশের সাবেক আইজিপি। তার ছেলে রাশেক রহমান আওয়ামী লীগের উপকমিটির সহসম্পাদক।
কর্মজীবন
এইচ এন আশিকুর রহমান ১৯৭১ সালে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত ডিসি ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন
পেশায় ব্যবসায়ী এইচ এন আশিকুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে রংপুর-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর পর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রংপুর-৫ আসনে জয়ী হয়ে আসনটি ছেড়ে দিলে সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালের উপ-নির্বাচন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে রংপুর-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সংসদ সদস্য:
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ