পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘরমুখো যাত্রীদের যাত্রা সহজ করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ সালের অগ্রিম ট্রেন টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। আজ শনিবার (৭ মার্চ) ১৭ মার্চ যাত্রার জন্য টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। রেলওয়ের সূত্রে জানা গেছে, এবার সমস্ত অগ্রিম টিকিট বিক্রি শতভাগ অনলাইনে করা হচ্ছে।
টিকিট বিক্রির সময়সূচি সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে অঞ্চলভেদে নির্ধারণ করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর ১৭ মার্চের টিকিট বিক্রি সকাল ৮টায় শুরু হয়। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের জন্য একই দিনে বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টায়।
ঈদের আগে ট্রেন যাত্রার সুবিধার জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয় বিভিন্ন সময়ে। ১৩, ১৪, ১৫ ও ১৬ মার্চ যাত্রার টিকিট যথাক্রমে ৩, ৪, ৫ ও ৬ মার্চ বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ১৮ ও ১৯ মার্চের জন্য টিকিট যথাক্রমে ৮ ও ৯ মার্চ বিক্রি হবে।
ঈদের পর যাত্রীদের ঘরে ফেরার সুবিধার্থেও অগ্রিম টিকিট বিক্রির নির্দিষ্ট সময়সূচি রয়েছে। ২৩ মার্চ যাত্রার টিকিট ১৩ মার্চ থেকে বিক্রি শুরু হবে। পরবর্তী দিনগুলোতে যথাক্রমে ২৪ থেকে ২৯ মার্চের টিকিটও বিক্রির মাধ্যমে যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নিচের টেবিলে বিক্রয় ও যাত্রার বিস্তারিত সময়সূচি উপস্থাপন করা হলো:
| বিক্রয় তারিখ | যাত্রার তারিখ | বিক্রির সময় | অঞ্চল/সেবা বিবরণ |
|---|---|---|---|
| ৩ মার্চ | ১৩ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ৪ মার্চ | ১৪ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ৫ মার্চ | ১৫ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ৬ মার্চ | ১৬ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ৭ মার্চ | ১৭ মার্চ | সকাল ৮টা (পশ্চিম), দুপুর ২টা (পূর্ব) | অঞ্চলভিত্তিক বিক্রি |
| ৮ মার্চ | ১৮ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ৯ মার্চ | ১৯ মার্চ | সকাল ৮টা | পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চল ট্রেন |
| ১৩ মার্চ | ২৩ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৪ মার্চ | ২৪ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৫ মার্চ | ২৫ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৬ মার্চ | ২৬ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৭ মার্চ | ২৭ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৮ মার্চ | ২৮ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
| ১৯ মার্চ | ২৯ মার্চ | সকাল ৮টা | ঈদের পর ফিরতি যাত্রা |
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলেন, “অগ্রিম টিকিট বিক্রি পুরোপুরি অনলাইনে হওয়ায় যাত্রীদের জন্য যাত্রা পরিকল্পনা করা আরও সহজ হয়েছে। পাশাপাশি সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে আমরা অঞ্চলভিত্তিক বিক্রির ব্যবস্থা করেছি।”
বাংলাদেশ রেলওয়ে আশা করছে, এই আয়োজনের মাধ্যমে ঈদুল ফিতরের সময়ে হাজার হাজার যাত্রী নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবেন। দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের জন্য অনলাইনে টিকিট পাওয়ার সুবিধা বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
