গাজায় একদিনের ভয়াবহ ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা সাধারণ মানুষ ছিলেন।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ আল-সাবরা মহল্লা। এ এলাকায় কয়েকদিন ধরেই টানা বোমাবর্ষণ চলছে। সর্বশেষ হামলায় একটি ত্রাণ শিবিরেও আঘাত হানে ইসরায়েলি বাহিনী, যেখানে ৩২ জন হতাহত হন।
গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে আরও ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এতে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬১ জনে। অব্যাহত যুদ্ধ ও ত্রাণ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় গাজায় দুর্ভিক্ষ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, গাজায় চলমান যুদ্ধ এখন সিদ্ধান্তমূলক ধাপে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “এই অভিযানের লক্ষ্য শুধু হামাসকে পরাজিত করা নয়, বরং পুরো ‘ইরানি অক্ষকে’ দুর্বল করা। এর মধ্যে রয়েছে গাজা, লেবানন, সিরিয়া, ইরান ও ইয়েমেনের হুতিরা।”
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান আইয়াল জামির নিশ্চিত করেছেন যে, গাজা সিটিতে স্থল অভিযান ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, “আমাদের অভিযান আরও তীব্র হবে।”
