সেদিকুল্লাহ আটাল ও আজমতুল্লাহ ওমরজাইয়ের দুর্দান্ত হাফ-সেঞ্চুরির সৌজন্যে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ২৭৩ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। আটাল ৮৫ ও ওমরজাই ৬৭ রান করেন।
শুরুতেই ধাক্কা, তবে আটাল-জাদরানের প্রতিরোধ:
লাহোরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের পঞ্চম বলেই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার পেসার স্পেনসার জনসনের বলে শূন্য রানে বিদায় নেন ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে সামলান ইব্রাহিম জাদরান ও সেদিকুল্লাহ আটাল। আগের ম্যাচে রেকর্ড ১৭৭ রান করা জাদরান এদিন মাত্র ২২ রান করে আউট হন।
চার নম্বরে নামা রহমত শাহ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, ১২ রানে বিদায় নেন। ৯১ রানে তিন উইকেট হারানোর পর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান আটাল ও অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শাহিদি।
আটালের দুর্দান্ত ইনিংস, তবে মিডল অর্ডারে ধস:
এই জুটিতে ৭৮ বলে ৬৮ রান যোগ হয়, এরপর জনসনের বলে আটাল ৮৫ রানে ফেরেন। ৯৫ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি।
দলীয় ১৫৯ রানে আটাল ফেরার পর পরবর্তী ২৩ রানের ব্যবধানে আরও তিনটি উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
- শাহিদি করেন ২০ রান
- মোহাম্মদ নবি ১ রান করে বিদায় নেন
- গুলবাদিন নাইব আউট হন ৪ রানে
১৯৯ রানে সপ্তম উইকেট পতনের পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন আজমতুল্লাহ ওমরজাই ও রশিদ খান।
শেষ দিকে ওমরজাইর ঝড়ো ইনিংস:
রশিদ খান ১৭ বলে ১৯ রান করে আউট হলেও ওমরজাই একাই দলকে এগিয়ে নেন। ৫৪ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের অষ্টম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
শেষ ওভারের চতুর্থ বলে ৬৭ রান করে আউট হন ওমরজাই, যেখানে তিনি ৬৩ বল খেলে ১টি চার ও ৫টি ছক্কা হাঁকান।
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং পারফরম্যান্স:
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বেন ডোয়ার্শিস ৩টি, স্পেনসার জনসন ও এডাম জাম্পা ২টি করে উইকেট নেন।
৫০ ওভারে ২৭৩ রানে অলআউট হওয়া আফগানিস্তান কি অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলতে পারবে? এখন নজর থাকবে বোলারদের দিকে!
