আজ সন্ধ্যায় আঘাত হানবে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আরব সাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের উপকূলের কাছাকাছি চলে এসেছে। এর প্রভাবে ভারতের গুজরাটের দরকায় বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে ভারত ও পাকিস্তানের দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আজ সন্ধ্যায় আঘাত হানবে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়
কুচ্ছ অঞ্চলে বসবাসকারী লোকদেরকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে ইতোমধ্যে ৭৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সৌরাষ্ট্র ও কুচ্ছ উপকুলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও উপসনালয়গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বিপর্যয় গুজরাটের কুচ্ছ জেলার জাখাউ বন্দরে কাছে স্থলভাগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আঘাত হানতে যাচ্ছে। একই সময় প্রচন্ড ঘুর্ণিঝড়টি পাকিস্তানে মান্দভি ও করাচী বন্দরের মাঝামাঝি উপকুলীয় এলাকায় আঘাত হানবে। ইতোমধ্যে পাকিস্তানে উপকুল এলাকা থেকে ৮০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, ক্যাটাগরিত-৩ এর ‘অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়’-এর প্রভাবে উপকূলে ১৩০ কিলোমিটারেরও বেশি বেগে বাতাস বইতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গুজরাটের কুচ্ছ, দেবভূমি দরগা এবং জামনগরে অতিবৃষ্টি হবে।
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গত কয়েকদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। দেশটির জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী শেরি রহমান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় এটি তাদের কেটি বন্দরে আঘাত হানতে পারে।