গাজায় চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শান্তি প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে হামাস। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সংগঠনটি জানায়, তারা গাজার প্রশাসন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটদের হাতে তুলে দিতে এবং সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত। তবে নিজেদের নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে কোনও উল্লেখ করেনি তারা।
হামাসের এই প্রতিক্রিয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ভিডিওবার্তায় বিষয়টিকে ‘অভূতপূর্ব’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, হামাস এখন ‘টেকসই শান্তির জন্য প্রস্তুত’। এ সময় তিনি ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানান। খবর—আল জাজিরা।
হামাস আরও জানিয়েছে, তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অবিলম্বে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আগ্রহী। তবে, তাদের এই অবস্থান ঘোষণার পরও ইসরায়েল গাজায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।
চিকিৎসা সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবারের ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৭২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
চলমান যুদ্ধের মানবিক মূল্য
| সূচক | পরিসংখ্যান |
| যুদ্ধ শুরুর তারিখ | ৭ অক্টোবর ২০২৩ |
| গাজায় নিহতের সংখ্যা | ৬৬,২৮৮ জনের বেশি |
| আহতের সংখ্যা | ১,৬৯,০০০ জনের বেশি |
| ধ্বংসস্তূপে আটকে আছেন (আনুমানিক) | বহু শতাধিক |
| ইসরায়েলে নিহত | ১,১৩৯ জন |
| ইসরায়েলি বন্দি সংখ্যা (প্রাথমিক পর্যায়) | প্রায় ২০০ জন |
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা এখন এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে। ধ্বংসস্তূপে এখনও বহু মানুষের দেহাবশেষ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, হামাসের প্রাথমিক হামলায় ইসরায়েলে ১,১৩৯ জন নিহত হন এবং প্রায় ২০০ জনকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক মহল এখন ট্রাম্পের এই আহ্বানকে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি উদ্যোগের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছে। তবে, ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া কী হবে—সেটিই এখন সবার নজরে।
