ইসরায়েলে হুথিদের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলের ওপর হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের দিকে হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।

হুথিদের দাবী অনুযায়ী:

  • ‘প্যালেস্টাইন-২’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবের দিকে ছোড়া হয়েছে, যা একাধিক ওয়ারহেড বহন করছিল।
  • দক্ষিণ ইসরায়েলের ইলাত শহরের দিকে দুটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

হুথিরা বলেছে, এই হামলা গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর ‘গণহত্যা ও বিপজ্জনক উত্তেজনা’ প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে চালানো হয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, গাজায় আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে এবং কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। তবে ড্রোন হামলার বিষয়ে তারা কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

ঘটনার প্রেক্ষাপটে জানা গেছে, মাত্র কয়েকদিন আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, এই হামলায় হুথিদের সাধারণ সদর দপ্তরের কমান্ড কেন্দ্র এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা শাখার বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়, যেখানে ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান ও বিমান সহায়তা ইউনিট ব্যবহার করা হয়েছিল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, এই শক্তিশালী হামলায় ডজনখানেক হুথি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হুথি-ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, দু’জন নিহত এবং ৪৮ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় হুথি নেতা আব্দুল-মালিক আল-হুথি সরাসরি টেলিভিশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন।

সূত্র: আল জাজিরা