কঙ্গোতে এম২৩ সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে পুনরায় সহিংস লড়াই শুরু

শান্তি চুক্তি সত্ত্বেও পূর্ব গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআরসি) সেনাবাহিনী এম২৩ সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার বুকাভু থেকে নিরাপত্তা কর্মকর্তা স্থানীয় সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতি ওই অঞ্চলের শান্তি স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরণের উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

গত জুন মাসের শেষদিকে ডিআরসি রুয়ান্ডার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির পর, ১৯ জুলাই কিনশাসা এম২৩ একটি নীতিগত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। তবে, এই চুক্তি সহিংসতা বন্ধে কার্যকর হয়নি। বিশেষ করে দক্ষিণ কিভু প্রদেশের মুলাম্বা শহরে শুক্রবার থেকে রুয়ান্ডাসমর্থিত এম২৩ এবং কিনশাসার সমর্থিত স্থানীয় গোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই তীব্রতর হয়েছে।

স্থানীয় নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ভারী হালকা অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষের পর এম২৩ মিলিশিয়া কঙ্গোলিজ সশস্ত্র বাহিনী (এফএআরডিসি) সৈন্যদের পেছনে ঠেলে দেয়। রোববার উভয় পক্ষই তাদের শক্তিবৃদ্ধি করেছে।

মুলাম্বা শহর, যা প্রাদেশিক রাজধানী বুকাভু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত, সোমবারও লড়াইয়ের ঘটনায় উত্তপ্ত ছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘উভয় পক্ষই ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছেএবংমুলাম্বার চারপাশে বোমাবর্ষণ চলছে।

এখন পর্যন্ত কোনও পক্ষ হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

সোমবার এক বিবৃতিতে এম২৩ মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা কিনশাসাকেবড় আকারের সংঘাত সৃষ্টি করার লক্ষ্যে আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশল প্রয়োগের জন্যদায়ী করেছেন।

২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর থেকে, এম২৩ পূর্ব ডিআরসির সম্পদবহুল বিশাল অংশ দখল করে রয়েছে, যার মধ্যে জানুয়ারিতে গোমা ফেব্রুয়ারিতে বুকাভুর প্রধান শহরগুলো অন্তর্ভুক্ত।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের জুলাই শেষে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে পূর্বাঞ্চলের সহিংসতায় ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।