যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনেজুয়েলার ৫ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী আইনি মর্যাদা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার মার্কিন ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
Table of Contents
কঠোর অভিবাসন নীতি ও প্যারোল বাতিল
শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির কঠোরতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
- এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় চালু হওয়া দুই বছরের ‘প্যারোল’ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাবে।
- এই কর্মসূচির অধীনে অভিবাসীরা স্থানীয় স্পনসরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেতেন।
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরেই ট্রাম্প অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের নির্বাসনে পাঠানোর পদক্ষেপ জোরদার করেছেন।
ট্রাম্পের মতে, বাইডেন প্রশাসনের চালু করা প্যারোল কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছে।
ইউক্রেনীয় অভিবাসীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
গত ৬ মার্চ ট্রাম্প জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ইউক্রেনীয়র প্যারোল মর্যাদা বাতিল করা হবে কি না, তা নিয়ে তিনি শিগগির সিদ্ধান্ত নেবেন।
এর আগে হোয়াইট হাউসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন এপ্রিলের মধ্যেই ইউক্রেনীয় অভিবাসীদের প্যারোল মর্যাদা প্রত্যাহার করতে পারে।
কীভাবে পরিবর্তন হলো প্যারোল নীতি?
- ২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসন ভেনেজুয়েলাবাসীদের জন্য প্যারোল প্রবেশাধিকার চালু করে।
- ২০২৩ সালে এটি কিউবা, হাইতি ও নিকারাগুয়ায় সম্প্রসারিত হয়।
- এখন ট্রাম্প প্রশাসন এটি বাতিল করায় দ্রুত নির্বাসনের প্রক্রিয়া সহজ হবে।
ফেডারেল রেজিস্ট্রারের ঘোষণা
সোমবার ফেডারেল রেজিস্ট্রারে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানায়, প্যারোল মর্যাদা বাতিলের ফলে এই অভিবাসীদের দ্রুত নির্বাসন কার্যকর করা সহজ হবে।
