দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার: জি এম কাদের

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার: জি এম কাদের। জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, আমি যখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম তখন দ্রব্যমূল্য রিজেনবল পর্যায়ে রাখার ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। যখন দাম বেড়েছে, তখন জনগণ জানত যে বেড়েছে। যখন কমেছে বা কমা উচিত ছিল, তখনো তা জনগণ জেনেছে। এখন নানা অজুহাত দিয়ে দাম একেবারেই নিয়ন্ত্রণহীন করা হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার: জি এম কাদের

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরীর দর্শনাস্থ পল্লী নিবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরিফা কাদের এমপি, অতিরিক্ত মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান আদেলুর রহমান আদেল এমপি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেন, এখন বিশ্ববাজারের চেয়ে আমাদের দেশে পণ্যের দাম অনেক বেশি। এমনকি শ্রীলঙ্কা, যেটাকে আমরা ব্যর্থ রাষ্ট্র বলেছিলাম, যারা ঘোষণা দিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেছে। আর পাকিস্তান, যেটাও ব্যর্থ রাষ্ট্রের মতো ঘোষণা হয়ে গেছে। যাকে আমরা খারাপের উদাহরণ হিসেবে মনে করি তারাও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। 

সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত চিন্তা করছি ৩০০ আসনে নির্বাচন করবো। ভবিষ্যতে কী করবো, ভবিষ্যতের অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা হবে। সরকার এক ধরনের নির্বাচন করতে চাচ্ছে, সরকারের বিপক্ষ আরেক ধরনের নির্বাচন করতে চাইছে। কোন পদ্ধতিতে আসলে নির্বাচন হবে, সেটাই আমরা জানি না। 

রওশন এরশাদের ৩০০ আসনে অংশ নেয়ার ঘোষণা নিয়ে জিএম কাদের বলেন, উনি (রওশন এরশাদ) কেন বলেছেন, তা আমি জানি না। উনার এ ধরনের সিদ্ধান্তের কথা বলার কোনো অথরিটি নেই।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাফিউল ইসলাম সাফি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লোকমান হোসেন, জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল মামুন প্রমুখ। 

Leave a Comment