বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মৃত্যুর জন্য চিন্তা করি না। যখন রাস্তায় নেমেছি তখন কেউ আমাদের চলমান আন্দোলন বন্ধ করতে পারবে না।শুক্রবার দুপুরে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
গত ২৬ জুলাই রাজধানীর ধোলাইখাল নিজের ওপর হামলার প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, সেই দিন তো আমার ওপর বন্দুক ধরেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, মারতে পারেন নি। বেঁচে আছি। গুলি করে কী আন্দোলন বন্ধ করতে পেরেছেন?
আমাদের চলমান আন্দোলন কেউ বন্ধ করতে পারবে না: গয়েশ্বর
তিনি বলেন, আমরা ভাগ চাই না। ভোটের অধিকার চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে জনগণ আপনাদের ভোট দিবে না, এ বিশ্বাস আপনাদের (সরকার) মনে এলো কি করে? কারণ, আপনারা দেশের টাকা লুট করেছেন। দেশের তরুণ সমাজ আজ বেকার। দশ লাখ কোটি টাকা লুট করেছেন। তা লুট না করে যদি দেশে শিল্প কারখানা করতেন তাহলে উল্টো বিদেশীরা আমাদের দেশে কাজ করতে আসতো।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ অর্ধাহারে, অনাহারে। আরেকদিকে অধিকার হারা। পুলিশ টিয়ার সেল ও গুলি করে আপনাদের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারবে না। পুলিশের দায়িত্ব জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। অথচ পুলিশ আজ লুটেরাদের পাহারা দিচ্ছে। চোর ডাকাতদের পাহারা দিচ্ছে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত এ কালো পতাকা মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালাম। ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লিটন মাহমুদ ও আ ন ম সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ কালো পতাকা মিছিলে অংশ নেন।

বিকেল সাড়ে চারটায় নয়াপল্টন থেকে এ কালো পতাকা মিছিল শুরু হয়। এটি মতিঝিল, ইত্তেফাক, টিকাটুলী হয়ে দয়াগঞ্জ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।